স্টাফ রিপোর্টার, নন্দীগ্রাম : নন্দীগ্রামে ছিঁড়ে ফেলা হল তৃণমূলের একাধিক পোষ্টার ও দলীয় পতাকা। নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের খোদামবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

তৃণমূলের দাবি, খোদামবাড়ি বাসস্ট্যান্ড থেকে সিদ্ধেশ্বর বাজার পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফ্লেক্স ও তৃণমূলের দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। অনেক ফ্লেক্স থেকে মমতার মুখ কেটে নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় শুক্রবার নন্দীগ্রামের টেঙ্গুয়া মোড়ে প্রতিবাদ সভার ডাক দিয়েছে তৃণমূল।

খোদামবাড়ির যুব তৃণমূলের সভাপতি স্বপন পাত্রের দাবি, গোটা এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। আজ নন্দীগ্রাম স্টেট ব্যাঙ্কের পাশের মাঠে বিজেপির সভা। তাই উত্তেজনা ছড়াতে একাধিক ফ্লেক্স থেকে মমতার মুখ কেটে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

যদিও বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি প্রলয় পাল তাঁদের দিকে ওঠা অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, এগুলো করে সস্তা প্রচার পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল। আজ শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিশাল জনসভা রয়েছে। তাঁরই প্রস্তুতিতে ব্যস্ত বিজেপি নেতা কর্মীরা।

এদিকে নন্দীগ্রামে বিশাল সভার ডাক দিয়েছেন শুভেন্দু। এই মুহূর্তে সেই সভায় উপস্থিত হয়েছেন মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী। রয়েছেন দিলীপ ঘোষ, কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। আর সেই সভা ঘিরে উত্তেজনা। কার্যত হৈ হট্টগোল বেঁধে যায়।

যদিও বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। যদিও ঘটনার পরেই মঞ্চ থেকে দিলীপ ঘোষ বলেন, বিজেপির নেতা-কর্মীরা সবাই শৃঙ্খলা পরায়ণ। যারা নতুন এসেছেন তারা অবশ্যই এই শৃঙ্খলা শিখে নেওয়া প্রয়োজন।

শুধু তাই নয়, দিলীপ ঘোষ দাবি করেন যে, এই সভা ভণ্ডুল করার চেষ্টা হচ্ছিল। কিন্তু তা বিজেপি কর্মীরা রুখে দিয়েছেন বলে জানা যায়।

দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করে বলেন যে, তিনজন আরও তৃণমূল বিধায়ক যোগ দিতে চাইছিলেন। কিন্তু তাদের বাড়ির সামনে পুলিশ বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ দিলীপের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।