স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নজির গড়লেন সাহিত্যিক নলিনী বেরা। ‘সুবর্ণরেণু সুবর্ণরেখা’ উপন্যাসের জন্য ১৪২৫ বঙ্গাব্দের আনন্দ পুরস্কারে সম্মানিত হন তিনি। পুরস্কার হিসেবে প্রাপ্ত ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে থাকা ছাত্রা ছাত্রীদের জন্য দান করলেন এই সাহিত্যিক।

তাঁর এই কর্মকান্ডে বিস্মিত বাংলা সাহিত্য মহল। এই ঘটনার জন্য সমস্ত শ্রেণীর মানুষ তাঁকে কুর্নিশ জানিয়েছে।

‘সুবর্ণরেণু সুবর্ণরেখা’ বইটি প্রকাশিত হয়েছে দে’জ পাবলিশিং থেকে। সেই বইয়ের জন্য প্রাপ্ত পুরস্কারের অর্থ অভাবী শিক্ষার্থীদের দান করলেন লেখক। এই অস্থির সময় দাঁড়িয়ে তাঁর এই পদক্ষেপ দৃষ্টান্ত হয়ে রইল গোটা বাংলা সাহিত্যের কাছে। নলীনি বেরা kolkata24x7-কে বলেন, “এ বিষয়ে আমার কিছুই বলার নেই। কাজটা প্রচার পাওয়ার জন্য করিনি। চুপিসারে করতে চেয়েছি। তবু দেখছি জানাজানি হয়ে গিয়েছে।”

নলীনী বেরার স্বজন, ‘পথ’ সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক তথা অধ্যাপক মনোরঞ্জন সরদার বলেন, “এটা একটা অভাবনীয় ঘটনা। আমি বাক্রুদ্ধ! এক সময় তিনি নিজে দারিদ্র্যের মধ্যে দিয়ে বড় হয়েছিলেন। সে জন্যই দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের কষ্টের কথা বুঝতে অসুবিধে হয়নি তাঁর। নলিনী বাবু প্রকৃত মানবদরদী। মূল্যবোধ হারিয়ে যেতে বসেছে এখন। মানুষ স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছে দিনে দিনে। সেই যুগে দাঁড়িয়ে তিনি এমন একজন মানুষ, যিনি অপর মানুষকে ভালোবাসতে জানেন।”

নলিনী বেরার জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঝাড়গ্রামে। তাঁর এই কাজে খুশি জঙ্গলমহলের বাসিন্দারাও। সুবর্ণরেখা নদীর তীরের মানুষদের জীবনযাত্রা কী রকম? উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে কত কত পরিবার। তাঁদের যাপনচিত্র ইত্যাদির কথাই ফুটে উঠেছে ‘সুবর্ণরেণু সুবর্ণরেখা’ উপন্যাসে। আর এ বইয়ের জন্যই এসেছে স্বীকৃতি। এবং স্বীকৃতির অর্থেই উপকৃত হতে চলেছে গরীব ছাত্রছাত্রীরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I