নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের অংশ হিসেবে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে চলার জন্য একাধিক সংস্থা ইতিমধ্যে এগিয়ে এসেছে। নিজেদের তৈরি করা একাধিক প্রকল্প সাধারণ মানুষের জন্য নিয়ে এসে চমকে দিয়েছে সকলকে। বিজ্ঞান হোক বা প্রযুক্তি সমস্ত ক্ষেত্রে প্রায় নিজেদের সেরা সৃষ্টি সামনে নিয়ে এসে চমকে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। আর এবারে সেই কারণে আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের অংশ হিসেবে ই সাইলেক লঞ্চ করল নাহাক মোটর।

 

আজকের দিনে ক্রমেই চাহিদা বাড়ছে এই ই সাইকেলের। বিশেষ করে একাধিক শারীরিক সমস্যার কারণে সাইকেলের গুরুত্ব যথেষ্ট বেড়েছে সাধারণ মানুষজনের কাছে। পাশপাশি করোনা পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা ভেবে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এই ই সাইকেল। আর সেই কারণেই ইতিমধ্যে একাধিক কোম্পানির তরফে আনা হয়েছে একাধিক ই সাইকেল। যা যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছে সাধারণের কাছে। জানা গিয়েছে তিনটে আলাদা মডেলে লঞ্চ হওয়া এই সাইকেলের দাম শুরু হচ্ছে ২৭ হাজার টাকা থেকে।

সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে এই সাইকেলগুলি দেশীয় প্রযুক্তি এবং দেশীয় উপাদানের সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে এই সাইকেলে ব্যবহার করা হয়েছে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি। এই ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ হতে সময় নেয় প্রায় ২ ঘণ্টার কাছাকাছি। এই ই সাইকেল তিনটে আলাদা মডেলে বাজারে এসেছে। আর সেগুলি হল রেগুলার, প্রিমিয়াম, এবং লাক্সারি।

এই সংস্থার কারখানা হরিয়ানাতে উদ্বোধন করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতাপ চন্দ্র সারেঙ্গি। এই পদক্ষেপের ফলে একদিকে যেমন আত্মনির্ভর হওয়ার দিকে ভারত কিছুটা এগিয়ে গেল সেই রকম কর্ম সংস্থানের ক্ষেত্রেও এটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পাশপাশি ভারতের বাজারে এই মুহূর্তে যে সকল ই সাইকেল সংস্থা রয়েছে সেগুলিকেও যথেষ্ট কড়া প্রতিযোগিতার মধ্যে ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশপাশি সাধারণের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এই ই সাইকেল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.