কোহিমা : ক্রমশই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে ১৫ই জুলাই পর্যন্ত লকডাউন বাড়নো হল নাগাল্যান্ডে। সরকারি মুখপাত্র বলেছেন, করোনা পরিস্থিতি ক্রমশই খারাপ হচ্ছে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সরকারের এই সিদ্ধান্ত। সোমবার এই সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও। রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা ও সমন্বয় ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী নেইবা ক্রোনু। লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে। যে নির্দেশিকা এখন মানতে হচ্ছে, তাই মেনে চলতে হবে পরবর্তী সময়ে বলে জানানো হয়েছে। তবে কৃষিকাজ, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর গাড়ির যাতায়াত, ধর্মীয় স্থান খোলা, ট্যাক্সি ও রিকশার যাতায়াতে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

ক্রোনু জানিয়েছে্ন, অসম, মণিপুর ও অরুণাচল প্রদেশের সঙ্গে আন্তঃরাজ্য সীমান্ত সিল করে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সীমান্তগুলিতে পুলিশি প্রহরা বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এস পাঙ্গনিউ ফোম জানিয়েছেন ইতিমধ্যেই নাগাল্যান্ড জুড়ে নতুন করে ১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ জনই সেনা আধিকারিক।

নাগাল্যান্ডে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩৪। ৪৩৪ জনের মধ্যে ২৬৬ জন অ্যাক্টিভ কেস। ১৬৮ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সোমবার ৩২২টি নমুনার পরীক্ষা করা হয়েছে।

এদিকে, আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন জারি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। বৈঠক শেষে নতুন করে ফের লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩১ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত জারি থাকবে লকডাউন। এমনটাই জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে জানানো হয়েছে যে, সোশ্যাল ডিসটেন্স, জটলা কড়া ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

শুধু তাই নয়, অফিসগুলিকে লকডাউন চলাকালীন ওয়ার্ক ফ্রম হোম করানোর উপরেই থাকার জন্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহারাষ্ট্র সরকারের একটা বৃহত অংশে সরকারি কর্মীরা বাড়িতে বসেই কাজ সামলাচ্ছেন। সেই কারণে বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও সেই পথে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

অন্যদিকে তামিলনাড়ু সরকারও লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছে। ৩১শে জুলাই পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। সোমবারই কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষণা করা হয়েছে আনলকের দ্বিতীয় পর্যায়ে বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হলেও কনটেনমেন্ট জোনের ক্ষেত্রে জারি থাকছে কড়া নিয়ম।

সোমবার যে নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে যে কনটেনমেন্ট জোনে ৩১ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন জারি থাকবে। প্রত্যেক জেলার ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টরের ওয়েবসাইটে কনটেনমেন্ট জোনের তালিকা পাওয়া যাবে। নতুন গাইডলাইনে বেশ কিছু ক্ষেত্রে নিয়মের শিথিলতা বাড়ানো হয়েছে।

যেমন নাইট কার্ফুর সময়সীমাতে বদল আনা হয়েছে। এবার থেকে নাইট কার্ফু জারি থাকবে রাত ১০টা ভোর পাঁচটা পর্যন্ত। এতদিন পর্যন্ত কোনও দোকানে পাঁচজনের বেশি কারোর দাঁড়ানোর অনুমতি ছিল না। নতুন পর্যায়ে পাঁচজনের বেশি যেতে পারবে। তবে অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে সবাইকে। আর তা মেনেই দোকানে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ের আনলকে।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV