কলকাতা:  করোনায় আক্রান্ত নদিয়ার তেহট্টের পাঁচ বাসিন্দা। শনিবার তাঁদের বেলেঘাটা আইডিতে ভর্তি করা হয়। জানা যাচ্ছে, তেহট্টের করোনা আক্রান্তের পাঁচজনের আজ রবিবার দ্বিতীয়বার নমুনা পরীক্ষা হয়। একই সঙ্গে আগে থেকে ভর্তি আট আক্রান্তেরও রবিবার আরেক দফা পরীক্ষা করা হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যাচ্ছে। আইসিএমআরের গাইডলাইন অনুযায়ী, পজিটিভ রোগীদের পরীক্ষা করতে হয় ৪৮ ঘন্টা অন্তর অন্তর। তাতে সংক্রমণের মাত্রা ধরা পড়ে। আর সেই গাইড লাইন মেনেই দফায় দফায় আক্রান্তদের করা হচ্ছে পরীক্ষা।

গত শুক্রবার ওই পাঁচজনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাঁদের রিপোর্ট পজিটিভ আসে বলে জানায় স্বাস্থ্য দফতর। আক্রান্তদের মধ্যে ছিল এক নয় মাসের এবং এক ছয় বছরের শিশুও। রয়েছে এক ১১ বছরের কিশোরও। এছাড়া ২৭ বছরের এক তরুণী এবং ৪৫ বছরের এক মহিলা আক্রান্ত হয়েছে।

জানা যায়, এই পরিবার গত কয়েকদিন আগেই দিল্লিতে গিয়েছিল। জানা যাচ্ছে, দিল্লিতে লন্ডন ফেরত একজনের সংস্পর্শে আসে এই পরিবার। সেখান থেকেই সংক্রমণ ঘটতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রথমে রাজধানী এক্সপ্রেস, সেখান থেকে লালগোলা এক্সপ্রেস চেপে নদিয়া তেহট্টে পৌঁছন।

স্টেশন থেকে বাড়ি পৌঁছানোর জন্যে একটি অটোও ভাড়া করেন। একটা লম্বা জার্নি। সেটি কিনা সবথেকে আশঙ্কার। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই লম্বা জার্নিতে যারা যারা সংস্পর্শে এসেছেন তাঁদের মধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। আর সেই কারণেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে খোঁজখবর নেওয়া।

অন্যদিকে, বাড়িতে ফিরেও অনেকের সংস্পর্শে এসেছে এই পরিবার। আর সেই কারণে এই ভাইরাস আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। এরই মধ্যে আজ ফের শারীরিক পরীক্ষা হল আক্রান্তদের। এখন দেখার ফলাফল কি আসে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।