স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: ৬ ফেব্রুয়ারি গনিখান চৌধুরী জেলায় মালদহে আসছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি। জানা গিয়েছে, গাজোলে জনসভা করবেন তিনি। থাকবেন শুভেন্দু অধিকারী। ওই মঞ্চে জেলার বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতার যোগ দেওয়ার কথা।

মালদহ জেলা পরিষদ ছিল কংগ্রেসের দখলে। তৃণমূলের জেলা অবজারভার হয়ে শুভেন্দু অধিকারী রাতারাতি মালদহ জেলা পরিষদের অধিকাংশ সদস্যদের তৃণমূলে নিয়ে আসেন। জেলা পরিষদের দখল নেয় জোড়া ফুল। এবারও শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বেই তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বিজেপিতে আসছেন বলে খবর।

উল্লেখ্য, গত, ১৯ ডিসেম্বর মেদিনীপুরে অমিত শাহের সভায় শুভেন্দুর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন দীপালি ও তাঁর স্বামী রঞ্জিত। দীপালি ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সমর্থনে সিপিএমের টিকিটে বিধায়ক হন। ওই বছরই তিনি যোগ দেন তৃণমূলে। সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়ে উত্তর মালদহের সাংসদ হয়েছেন খগেন মুর্মু।

২০২১ ভোট নিয়ে ইতিমধ্যেই সরগরম বাংলা। দিলীপ ঘোষ আদেই জানিয়েছিলেন যে ২৯৪ আসনে ভোটনীতি ঠিক করতে বারবারই তাঁদের দলের দিল্লির নেতারা রাজ্যে আসবেন। আর এবার খবর, ‘পরিবর্তন যাত্রা’য় অংশ নিতে রাজ্যে ফের আসছেন জেপি নাড্ডা। জানা গিয়েছে , ৩০ জানুয়ারির পর ফের ফেব্রুয়ারির শুরুতেই রাজ্যে আসবেন অমিত শাহ। অমিত শাহ আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে আসবেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, এদিকে, অমিত শাহর সফরের আগে রাজ্যে ৫ ফেব্রুয়ারি ‘পরিবর্তন যাত্রা’ র সূচনা করতে আসবেন ডেপি নাড্ডা।

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা যেমন রথযাত্রায় যোগ দেবেন ঠিক তেমনই তারা বড় জনসভাও করবেন। ইতিমধ্যেই অমিত শাহ বোলপুরে এবং জেপি নাড্ডা বর্ধমানে রোড শো করেছেন। কিন্তু বড় ধরনের জনসভা করা হয়নি তাঁদের। নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসবে, বড় সভার সংখ্যা বাড়ানোরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বর্ধমানে গিয়ে কৃষক মথুরা মণ্ডলের বাড়ির বারান্দায় বসে মধ্যাহ্নভোজ করেছিলেন জে পি নাড্ডা। কৃষকদের থেকে ধান ও ফসল সংগ্রহ করেছিলেন তিনি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।