প্যারিস: দশবারের চ্যাম্পিয়নের জন্মদিন যদি ফরাসি ওপেন চলাকালীন হয়, তবে সোনায় সোহাগা নিশ্চিত৷ তেমনই সুযোগ পেয়ে গেল রোলাঁ গাড়ো৷ সাড়ম্বরে রাফার জন্মদিন পালণ করল তার প্রিয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্ট৷ কোর্টে এবং কোর্টের বাইরে, যারপরনাই খুশি নাদালও নিজেকে উজাড় করে দিলেন রোলাঁ গারো ও সমর্থদরে জন্য৷

রবিবার ছিল নাদালের ৩২তম জন্মদিন৷ তার আগে ফরাসি ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচ জিতে উঠে রাফা স্বপ্ন পূরণ করেন কোর্টেই উপস্থিত তাঁর এক একনিষ্ঠ অনুরাগীর৷ বলা বাহুল্য, রাফার সেই অনুরাগী চলতি ফরাসি ওপেনের একজন বল বয়৷

তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচ জিতে ওটার পর সাইডলাইনে অফিসিয়াল ব্রডকাস্টারকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় প্রেজন্টার নাদালকে মনে করিয়ে দেন রোলাঁ গাড়োয় তাঁর ফ্যান ফলোয়ারদের কথা৷ নাদাল যখন জানতে পারেন যে, তার অন্ধ অনুরাগী এক বলবয়ের স্বপ্ন অন্তত একবার তাঁর বিরুদ্ধে ব়্যাকেট হাতে নেওয়া, তন নিজে থেকেই ডেকে নেন সেই বল বয়কে৷ নিজের কিট ব্যাগ থেকে দু’টি ব়্যাকেট বার করে একটি তুলে দেন সেই কিশোরের হাতে৷

শুরু হয়ে যায় দু’জবের মধ্যে প্রদর্শনী ব়্যালি৷ দু’টি ব়্যালির একটিতে জেতেন নাদাল৷ পরেরটিতে সেই বল বয়৷ যা দেখে কমেন্ট্রি বক্সে জন ম্যাকেনরো বলে ওঠেন, গ্যাসকোয়েটের থেকে ভালো টেনিস খেলেছে নাদালের তরুণ ফ্যান৷

রবিবার ফরাসি ওপেনের আয়োজকদের তরফে নাদালের জন্মদিনে রাজকীয় পার্টি দেওয়া হয়৷ বিশাল কেক কেটে সেলিব্রেট করা হয় রাফার বার্থ-ডে পার্টি৷ পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন রাফার কোর্টের বন্ধুরাও৷ নাদালের হাতে তুলে দেওয়া হয় বার্থ-ডে গিফটও৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।