চেচিরামপুরের বাড়ির দাওয়ায় নচিকেতা
মাটির টানে মাটির কাছেই ফিরলেন নচিকেতা৷ দেশভাগের আগেই ৪৫-৪৬ সাল নাগাদ তাঁর মা-বাবা ওপার বাংলা ছেড়ে এদেশে চলে আসেন৷ তাই তাঁর নিজের সেখানে বেড়ে ওঠার কিংবা থাকার কোনও প্রশ্নই ওঠে না৷ তবু জন্মভূমি বলে কথা৷ টান তো থেকেই যায়৷ তাই সম্প্রতি ঢাকায় একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে দেশের বাড়িতে এক ঝলক ঘুরেই এলেন তিনি৷ যদিও সেসময় সেখানে তাঁর কোনও আত্মীয়কে দেখা যায়নি৷ তবু গ্রামের মানুষদের সঙ্গেই বেশ কিছুটা সময় কাটান তিনি৷নচিকেতার জন্মভিটে ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার চেচরিরামপুর গ্রাম৷ পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া বিহারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন নচিকেতার দাদু ললিত কুমার গঙ্গোপাধ্যায়৷ এই স্কুলের মাঠেই সোয়া ১টা নাগাদ নচিকেতার হেলিকপ্টার নামে৷ ভারতীয় ব্যবসায়ী রাজেশ গুপ্তাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি স্কুলটি ঘুরে দেখেন৷ স্কুল থেকে বেরিয়েই তিনি ভাণ্ডারিয়া থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে চেচিরামপুর গ্রামে গঙ্গোপাধ্যায় বাড়িতে ঘুরে আসেন৷ সেখানে গিয়ে দীঘি ও খাল পাড়ে বসে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে ঘণ্টা খানেক কাটান৷ দীঘির জল ভরে নেন বোতলে৷ তারপর এখান থেকে ভাণ্ডারিয়া ফেরেন৷ পরে সেখান থেকে আবার হেলিকপ্টারে ঢাকা ফিরে যান৷