কলকাতাঃ  চলছে লুকোচুরি খেলা। রাজীব কুমারের খোঁজে কখনও নবান্ন তো কখন সাদা পোশাকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। নবান্নে রাজীব কুমারের খোঁজ জানতে চেয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি, মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবকে চিঠি দিয়েছেন তাঁরা।

যদিও যার পালটা হিসাবে ডিজি’র তরফে রাজীব কুমারের অবস্থান জানিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে চিঠি দেওয়া হয়েছে। নবান্নের তরফে সিবিআইকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটিতে রয়েছেন রাজীব কুমার। ১৭ দিনের ছুটিতে আছেন এডিজি সিআইডি। পাশাপাশি, চিঠিতে আরও জানানো হয়েছে সিবিআই-এর সমন রাজীব কুমারের বাসভবনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সিবিআই সূত্রে খবর, রাজ্য প্রশাসনের এহেন উত্তর মোটেই ভালোভাবে দেখছেন তদন্তকারীরা আধিকারিকরা। ইতিমধ্যে পুরো বিষয়টি দিল্লিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রে জানা গিয়েছে। আর তা পর্যালোচনা করে আগামী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে।

তবে জানা যাচ্ছে, রাজীব কুমার বারাসত আদালতে যে আগাম জামিনের জন্যে আবেদন জানিয়েছেন তাতে জোরাল সওয়াল করবেন সিবিআই আইনজীবী। কেন তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না তা নিয়েও সওয়াল সিবিআইয়ের আইনজীবী করতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি জামিন তো নয়, বরং জামিন অযোগ্য ধারা দেওয়ার জন্যে আদালতের কাছে সিবিআই তাঁদের আইনজীবী মারফৎ দাবি জানাতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, সারদা-কান্ডে নড়েচড়ে বসেছে সিবিআই। ইতিমধ্যে কলকাতার প্রাক্তন নগরপাল রাজীব কুমারের উপর থেকে উঠে গিয়েছে রক্ষাকবচ। আর এরপরেই রাজীব কুমারের পার্কস্ট্রিটের সরকারি বাসভবনে গিয়ে নোটিস দেন সিবিআই কর্তারা। রাজীব কুমার না থাকায় তাঁর স্ত্রীর হাতে ধরানো হয় নোটিস। বলা হয়, পরেরদিন অর্থাত্ শনিবার ১০টায় হাজিরা দিতে হবে।

তবে শনিবার সিবিআইয়ের নির্ধারিত সময়ে হাজির হননি এডিজি সিআইডি। সূত্রের খবর, বিকেলে মেল করে সিবিআই-কে তিনি স্ত্রীর অসুস্থতার কথা জানান। ২৫ তারিখ অবধি সময় চান। কিন্তু তা দিতে নারাজ সিবিআই। রাজীবের অবস্থান জানতে চেয়ে চিঠি নিয়ে নবান্নে হাজির হন সিবিআইয়ের দুই প্রতিনিধি। কিন্তু রবিবার ছুটি থাকায় সেই চিঠি কাউকে দেওয়া যায়নি।

আজ সোমবার সকাল হতেই ফের চিঠি নিয়ে নবান্নে পৌঁছে যান সিবিআই আধিকারিকরা। কোথায় রাজীব? এই বিষয়ে চিঠিতে জানতে চাওয়া। যার পালটা হিসাবে নবান্নের তরফে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, লম্বা ছুটিতে রয়েছেন নাকি রাজীব কুমার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.