কলকাতাঃ আছড়ে পড়ল আমফান। ভয়ঙ্কর গতিতে আছড়ে পড়ল সুপার সাইক্লোন। আলিপুর হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, ঘন্টায় প্রায় ১৩৩ কিমি বেগে আছড়ে পড়েছে এই ঝড়। লন্ডভন্ড গোটা কলকাতা। ব্যাপক প্রভাব পড়েছে শহরতলিতেও। প্রভাব নবান্নেও।

জানা যাচ্ছে, নবান্নে একাধিক ঘরের দরজা ভেঙে গিয়েছে। বিশেষ করে প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায় যে ঘরে বসতেন সেই ঘরের দরজা ভেঙে গিয়েছে সম্পূর্ণ ভাবে। নবান্নের মধ্যে জল ঢুকে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে কলকাতার বিস্তির্ন অঞ্চলে প্রচুর গাছ উপড়ে পড়েছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে রাস্তা। জমেছে ব্যাপক জলও।

যদিও এই মুহূর্তে কলকাতা পুরসভায় রয়েছেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। নবান্নে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতি মুহূর্তে আপডেট নিচ্ছেন গোটা বাংলার। কলকাতায় কি অবস্থা তা জানছেন ফিরহাদ। ঝড়ের তান্ডব শেষ হলেই উদ্ধার কাজে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী নামবে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঝড়ের কারনে রাজ্যের বিশাল অংশ অন্ধকারে ডুবে। কলকাতাও একটা অংশ অন্ধকার বলে জানা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, এদিনই, আলিপুর আবহাওয়া দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই সাইক্লোন একটা বিশাল স্ট্রাকচার। এর একটি আই তথা চোখ রয়েছে। তার বাইরে রয়েছে ওয়াল ক্লাউডের আস্তরণ। তার বাইরে একটা আউটার পেরিফেরি থাকে। প্রথমে ফরওয়ার্ড সেকশন যাবে। তার পর আই তথা চোখ যাবে। তার পর শেষ অংশটা আছড়ে পড়বে মাটিতে। তাই অন্তত চার ঘণ্টা ধরে চলবে এই ল্যান্ডফল। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার উপকূলে ও দিঘায় ঝড়ের গতি তীব্র হচ্ছে।

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঝড়ের তীব্রতা এখনও ঘন্টায় দেড়শ কিলোমিটার রয়েছে। দিঘার কন্ট্রোলরুম থেকে জানা গিয়েছে সেখানে ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটারের বেশি। সোঁ সোঁ করে হাওয়ার আওয়াজ হচ্ছে। সেই সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে দিঘা, নন্দীগ্রামে। ঝড়ের ধাক্কায় দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে প্রচুর গাছ উপড়ে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে বেশ কিছুকাঁচা ঘরবাড়িও ভেঙেছে।

নামখানা, নারায়ণপুর, কাকদ্বীপে বেশ কিছু বাড়ি ভেঙে পড়েছে, উড়ে গেছে টিনের চাল। উপড়ে পড়েছে গাছ। কেউ হতাহত হয়েছে কিনা, এখনও জানা যায়নি। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ, হাসনাবাদ, বসিরহাটে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে সুপার সাইক্লোন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।