স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: প্রাণের পুজো৷ প্রাণ জুড়িয়ে দিন রাত এক করে মজা, হই-হুল্লোর৷ প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে লাইন দিয়ে ঠাকুর দেখার ভিড়৷ শুরু হয়েছিল মহালয়া থেকেই৷ সেই রেশ চলছে নবমীর সকালেও৷ শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণের সেরা পুজো মণ্ডপগুলোর সামনে দর্শনার্থীদের জমকালো উপস্থিতি৷

তিথি মেনে অষ্টমী বিদায় নিয়েছিল বুধের দুপুরেই৷ তারপর সন্ধি পুজো, পুষ্পাঞ্জলি৷ এলোমেলো চোখে কিশোরের ভালোলাগার টি-টয়েন্টি ইনিংস৷ কিশোরীর গালে টোল পড়া হাল্কা হাসি৷ চোখের কথায় নবমী এক সঙ্গে কাটানোর সায়৷ শরতের সুবাসে কচি হৃদয়ে তখন গোলাপের গন্ধ ম ম করছে৷

 

নবমীর সকাল থেকে পুজো মণ্ডপগুলোতে রামধনু রঙের মেলা৷ বিভিন্ন রঙের জামা কাপড়ে ভিড় ৮ থেকে ৮০-র৷ সেই ভিড়েই মনের মানুষের প্রথম হাতের স্পর্শ পাওয়া৷ হাল্কা অনুরণন সদ্য কিশোর, কিশোরীর৷ সাত পাঁচ বাজি রেখেই না বলা কথায় এক সঙ্গে চলার অঙ্গীকার৷

হাতে আর মাত্র কয়েক ঘন্টা৷ তারপরই মা দুগ্গা’র কৈলাসে পাড়ি দেওয়া পালা৷ মাঝের এই সময়টুকু তাই খুব ভাইটাল৷ বিগত কয়েক দিনে যেসব সেরা শিল্প কীর্তি দেখা হয়নি সেগুলো দেখার হাতছানি৷ তাই ক্লান্তি ঝেড়ে বেরিয়ে পড়া সোনা রোদ গায়ে মেখে৷ বাঁশের সরু রাস্তা দিয়েই ফোস্কা পায়ে এগিয়ে চলা উত্তরের বাগবাজার. আহিরীটোলা, কুমারটুলি সর্বজনীন বা দক্ষিণের একডালিয়া, নাকতলা চেতলার দিকে৷ একই ছবি মধ্য কলকাতার মহম্মদালী পার্ক, কলেজ স্কোয়্যার বা সন্তোষ মিত্র’র পুজো মণ্ডপে৷

 

সময় যত এগোচ্ছে একটু একটু করে বাড়ছে মন খারাপের পালা৷ ঠাকুরের সামনে দাঁড়িয়ে বার বার মনে আশা পূরণের আবেদন করা৷ সকালের ভিড়ই নবমীনিশির শহরে বিপুল জনস্রোতের আগাম আভাস৷ তৈরি কলকাতা পুলিশ৷ বিগত তিন দিন ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে তারা বাজি মাত করেছে৷ উৎসবের প্রায় শেষ লগ্নে তারা কনফিডেন্ট৷