কলকাতা : করোনা ভাইরাস যখন গোটা বিশ্ব জুড়ে দাপিয়ে বেড়চ্ছে, সেই সময় মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে কার্যত ঘরবন্দি গোটা দেশ। একদিকে করোনা সংক্রমণের ভয় অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি কডাউন। যারফলে এই দুইয়ের জেরে বিপর্যয়ের সম্মুখীন অসংখ্য সাধারণ মানুষ।

করোনার জেরে রুটি রুজি হারিয়ে অথৈ জলে পড়ার মতোন অবস্থা তাঁদের। আর এই অবস্থায় অসহায় এই সমস্ত গরিব মানুষদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন নবপল্লি নব যুবক সংঘ ক্লাবের সদস্যেরা।

জানা গিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতে একদিকে যেমন করোনা সংক্রমণের ভয়, তেমনই গোটা রাজ্যের বেশিরভাগ হাসপাতালকে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় কোভিড হাসপাতালে পরিণত করা হয়েছে

ফলে রাজ্যের এই সমস্ত সরকারি হাসপাতালে দূর দূরান্ত থেকে আউটডোর, ইনডোরে চিকিৎসা করাতে আসা রোগীরা পড়েছেন ভীষণ সমস্যার মধ্যে। একে লকডাউনে কাজ হারিয়ে হাত টাকা-পয়সা নেই, তার উপর সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে আউটডোর,নায্যমূল্যের ওষুধের যোগান প্রভৃতি বন্ধ থাকায় কার্যত বিনা চিকিৎসায় মারা-ও যাচ্ছেন অনেকেই। আর প্রায়শই এমন ঘটনা সামনেও আসছে।

আর এই সমস্ত অসহায় দীন দরিদ্র মানুষের কথা ভেবে তাঁদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে নবপল্লির নব যুবক সংঘের সদস্যরা। করোনার কারণে এতদিন পর্যন্ত যারা টাকার অভাবে ইচ্ছা থাকলেও চিকিৎসা করাতে পারেননি, এবার তাঁদেরকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ওই ক্লাবের সকল সদস্যরা।

আর এই সমস্ত অসহায় দুস্থ মানুষের কথা ভেবে গত ২৭ সেপ্টেম্বর একটি বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষার শিবিরের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রায় ১০০ জন সাধারণ মানুষকে সম্পূর্ন বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। আর নবপল্লির এহেন উদ্যোগ এত ভালো স্বাস্থ্য পরিষেবা পেয়ে খুব খুশি এখানে ডাক্তার দেখাতে আসা রোগীরা। শুধু তাই নয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী আরও বেশি করে সাধারণ পাশে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন নবপল্লির নবযুবক সংঘের সদস্যেরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।