স্টাফ রিপোর্টার, ডায়মন্ড হারবার: ফোনে কথা বলতে বাড়ির তিন তলায় গিয়ে আত্মঘাতী হয় এক উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী৷ রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার থানার রায়নগরে৷ মৃতের নাম সুলেখা হালদার(১৮)৷ এই ঘটনায় এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷

সুলেখার দিদিমা জবা হালদার জানিয়েছেন, ডায়মন্ড হারবার গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী সুলেখা বরাবরই মেধাবী ছাত্রী হিসেবে এলাকায় পরিচিত৷

আরও পড়ুন: বারুইপুরে নতুন দশ শয্যার হাসপাতাল উদ্বোধন

এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে সে৷ চলতি সপ্তাহের ৮ই জুন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে৷ রবিবার সকালে জবাদেবী নাতনি সুলেখাকে দীর্ঘক্ষণ মোবাইলে কথা বলতে দেখেন৷ তারপর অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলে সুলেখা নিচে নামেনি৷ দীর্ঘক্ষণ সুলেখাকে জবা দেবী দেখতে পায় না৷

এমনকি তিনতলায় যাওয়ার সময় সুলেখাকে দেখতে পায়নি জবাদেবী৷ তাই তিনি সুলেখাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন৷ বাড়ির নীচ তলাগুলিতে তাঁকে দেখতে না পেয়ে তিনি তিনতলায় যান৷ তিনি তিনতলার ঘরে ঢুকতেই ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে নাতনি সুলেখা৷

আরও পড়ুন: আষাঢ় আসতে বাকি থাকলেও বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে মৌসুমী বায়ু

নাতনির দেহ ঝুলতে দেখে চিৎকার করে ওঠেন জবা দেবী৷ তাঁর চিৎকারের আশপাশের লোকজন ছুটে আসে৷ তাঁরা সুলেখাকে উদ্ধার করে ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়৷ সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷ খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছায় ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ৷

কিন্তু কি কারণে সুলেখা আত্মঘাতী হলেন তা কেউই বুঝে উঠতে পারছেন না৷ তবে পরিবার ও প্রতিবেশীদের অনুমান মোবাইল ফোনে কথা বলার সময় কারোর সঙ্গে মনোমালিন্যে হয়৷ তার জেরেই আত্মঘাতী হয়েছে সুলেখা৷ আত্মহত্যার পিছনে প্রেম ভালোবাসার বিষয়ও থাকতে পারে বলে অনুমান তাঁদের৷ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ৷

আরও পড়ুন: বুকে ব্যথা নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি অলীক