দিল্লি: ধরুন আপনি ঘরে একা রয়েছেন। সেই সময়েই ঘরের মধ্যে কোনো এক হালকা আওয়াজেও কেঁপে ওঠে বুক। আর এটা এমন এক জায়গা যেখানে চারিদিকে শুধুই বালি আর বালি। তার মাঝেই শুনতে পাচ্ছেন কোনো হালকা সুর। কিন্তু সেই সুর কার বা কোথা থেকে আসছে সেই আওয়াজ, তা জানেন না আপনি। এখন বুঝতে পারলেন কীসের ইঙ্গিত দিলাম? হ্যাঁ, এমনই এক মরুভূমি রয়েছে এই পৃথিবীতে। আবার শুধু একটা নয়, এমন ৩০ টি স্থান রয়েছে। মরুভূমিতে রয়েছে এমন অনেক উঁচু-নীচু ঢিপি যেখান দিয়ে আসে এই আওয়াজ। ভুতুড়ে সেই সুরের রহস্য কী?

চীনের মরুভূমিতে শোনা গিয়েছিলো এমন আওয়াজ। সেটি স্পষ্টভাবে শুনেছিলেন খ্যাতনামা পর্যটক মার্কো পোলো। তবে সেই সময়ে তিনি একে কোনো অশরীরির অস্তিত্বের আভাস হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন। বিজ্ঞানীরা মরুভূমির মধ্যে থেকে ভেসে আসা এই ঘটনাকে “সিংগিং স্যান্ড” বলে আখ্যায়িত করেছেন। বিদেশের একদল বিজ্ঞানী এর পিছনে একটি কারণকে তুলে ধরেছেন। সেটার যথার্থ বিশ্লেষণও করেছেন তারা। সেই বিজ্ঞানীরা তাদের পর্যবেক্ষণের জন্যে প্রথমে ওমান ও মরক্কোর দুটি মরুভূমির বালির ঢিবি বেছে নিয়েছিলেন। তারা নিজেরা অবস্থা চাক্ষুস করতে চলে যান সেখানে। সেই সময়েই তারা দেখতে পান যে তাদের বেছে নেওয়া সেই দুই মরুভূমির একটি ঢিবি থেকে ১০৫ হার্জ শব্দাঙ্কের সুর শোনা যাচ্ছে। সেই সুরটি আবার অনেকটা নাকি জি নোটের মতোই। তারা পরে গবেষণাগারে বালি নিয়ে আসেন।

আরো পোস্ট- হুটহাট ঘুম, হারাচ্ছে স্মৃতি! কারণ অজানা

তাদের ধারণা মরুভূমিতে মাঝে মাঝেই বালিঝড় হয়ে থাকে। সেই সময় নাকি প্রচুর বালিকণা মাটির নিচের দিকে জড়ো হতে থাকে। ফলে সেই কণাগুলির মধ্যে ঘর্ষণ হতে থাকে। এতেই একটি আওয়াজ বা শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেসব তরঙ্গের দৈর্ঘ মোটামুটি একরকম, তাদের একরকম আওয়াজের ফলে সুরের মতো ছন্দবদ্ধ একটি ধারণা তৈরি হতে পারে। তবে এই বিশেষ ব্যাপারটি নিয়ে এখনো ধোঁয়াশায় রয়েছেন গবেষক ও বিজ্ঞানীরা। গবেষণাগারে এটি নিয়ে গবেষণার পথে অন্তরায় হলো যে পরীক্ষা করতে প্রচুর পরিমাণে বালি প্রয়োজন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।