তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: ‘মন্দিরে মায়ের আলতা পরা পায়ের ছাপ’ দেখা গিয়েছে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই অসংখ্য মানুষ ভীড় করছেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসিকগঞ্জ এলাকার রক্ষাকালী তলায়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার সন্ধ্যা থেকে ওই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বিষ্ণুপুর শহরের রসিকগঞ্জের রক্ষাকালীর মন্দিরটি বেশ পুরাণো। এখানে নিত্য পুজা হয়। প্রতিদিন অসংখ্য ভক্ত সমাগম হয়। এদিন সন্ধ্যায় মন্দিরে ‘মায়ের পায়ের ছাপ’ দেখা গেছে খবর ছড়িয়ে পড়তেই শহরের বিভিন্ন প্রান্ত মানুষ এই মন্দিরে ছুটে আসছেন। অতি উৎসাহীরা আবার মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করে রাখছেন সেই ‘পায়ের ছাপ’।

বংশপরম্পরায় এই মন্দিরে পুজো করে আসা বুবাই পুরোহিত বলেন, অন্যান্য দিনের মতো এদিনও সন্ধ্যারতি করতে মন্দিরে আসি। প্রথমে সেভাবে কিছু নজরে আসেনি। সন্ধ্যারতি মন্দিরের মেঝেতে মায়ের পায়ের ছাপ দেখে তিনি ভয় পেয়ে যান। গত ১৩ বছর ধরে এখানে তিনি পুজো করলেও এই ঘটনার প্রথম দেখলেন দাবি করে বলেন, বেশ কিছু বছর আগে তার দাদু গোপাল পুরোহিত যখন পুজো করতেন তখন একবার এইরকম মায়ের পায়ের ছাপ দেখা গিয়েছিল।

এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই অসংখ্য মানুষ রক্ষা কালী মন্দিরে ভীড় করছেন। ডিসেম্বরের শীতকে উপেক্ষা করে উৎসাহী মানুষের ভীড় ড়ছে এখানে। বিষ্ণুপুর বৈলাপাড়া থেকে আসা এক গৃহবধূ বলেন, খবরটা পাওয়ার পরই এখানে ছুটে এসেছি। এসে যা দেখলাম কালী মন্দির থেকে দুর্গা মন্দির পর্যন্ত মায়ের পায়ের ছাপ স্পষ্ট। এই ধরণের ঘটনার সাক্ষী থাকতে পেরে তার ভালো লাগছে বলে তিনি জানান।

এবিষয়ে ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৌম্য সেনগুপ্ত কলকাতা ২৪×৭ কে টেলিফোনে বলেন, এই ধরণের ঘটনার তখনই ঘটতে পারে, কেউ বা কারা এই ধরণের কাজ করে থাকে। নয়তো কোন ধরণের রাসায়নিক বিক্রিয়া জনিত কারণও এর পিছনে থাকতে পারে। প্রয়োজনে বিষয়টি নিয়ে তারা এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। এমনকি সেরকম পরিস্থিতির তৈরী হলে তাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় জনসচেতনতামূলক কর্মসূচীও করা হবে বলে তিনি জানান।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও