শিবামোগ্গা: রাত তখন ১০ টা ২০। কারও বাড়িতে ডিনারের আয়োজন চলছে, কেউ হয়ত সারাদিনের কাজ সেরে পরিবারের সঙ্গে আড্ডায়। এর মধ্যেই আচমকা বীভৎস শব্দ। শব্দের ধাক্কায় কেঁপে উঠল চারপাশ। এক ঝটকায় বাড়ি থেকে রাস্তায় বেরিয়ে পড়লেন মানুষজন।

কী হয়েছে বুঝে উঠতে পারেননি অনেকেই। সন্দেহের বশেই কেউ ভাবছেন ভূমিকম্প, আবার কেউ ভাবছেন বিস্ফোরণ। তবে কারণটা এখনও স্পস্ট নয়।

কর্ণাটকের শিবামোগ্গা নামে একটি জায়গায় এই শব্দে জোরালোভাবে শোনা গিয়েছে। এক ব্যক্তি লিখেছেন, এত জোরে শব্দে জীবনে শোনেননি তিনি। কারও মতে এটা সনিক বুম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, আসলে এটা ডিনামাইট বিস্ফোরণের শব্দ। হুনাসোদু নামে একটি গ্রাম থেকে এই শব্দ এসেছে বলেও জানা যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে যা জানা যাচ্ছে তাতে একটি লরি ডিনামাইট নিয়ে যাচ্ছিল, আর তাতেই এই বিস্ফোরণ হয়েছে।

শুধু শোবামোগ্গা নয়, শব্দে শোনা গিয়েছে চিক্কামাগালুরু জেলার কোপ্পা ও এনআর পুরা এলাকা থেকেও।

গত বছর মে মাসে এমনই এক রহস্যময় শব্দ শোনা গিয়েছিল বেঙ্গালুরুতে। পরে প্রতিরক্ষা বিভাগ থেকে জানানো হয় যে, এটা ছিল ফাইটার জেটের শব্দ।

তবে এদিন কর্ণাটকের ঘটনায়, শব্দটা ঠিক কিসের, তা এখনও প্রশাসন সূত্রে জানা যায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।