নয়াদিল্লি: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের সকালেই সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন দেশর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বিশালসংখ্যক মানুষকে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন।

শনিবার সকালে তিনি ট্যুইট করে জানিয়েছেন, “দিল্লির মানুষের কাছে আবেদন করছি, বিশেষত আমার নবীন বন্ধুদের কাছে আবেদন যে তাঁরা রেকর্ড সংখ্যক ভোট দিন”।

২০১৫ সালে নরেন্দ্র মোদীর দল বিজেপি মোট ৭০ আসনের মধ্যে তিনটি আসন পেয়েছিল। তবে তাঁরা আমতবিশ্বাসি যে এইবার আম আদমি পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তাঁরা ক্ষমতাচ্যুত করতে সক্ষম হবে। বিজেপি মোদীর নীতির উপর ভিত্তি করেই দিল্লিতে ভোটের প্রচার চালিয়েছে।

১.৪৭ কোটি মানুষ নির্ধারণ করবে যে দিল্লির মসনদে কে আসতে চলেছে, তাঁরা কই আবারও আপ’কেই আনবে নাকি পরিবর্তন চেয়ে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। তবে নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসির জন্য পরিস্থিতি বেশ কিছুটা উত্তপ্ত অবস্থাতেই নির্বাচনী প্রচার শেষ হয়েছে। তাই দিল্লির ভোট যুদ্ধ এবার বেশ সরগরম।

এবারের ভোটে সব চেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে আম আদমি পার্টি৷ আপ এবারে গতবারের রেকর্ড (৬৭ আসন জয়) ভাঙতে চাইছে৷ এদিকে বিজেপি ৬৬ আসনে প্রার্থী দিয়ে অনন্ত ৪৫টি আসন জেতার লক্ষ্যে রয়েছে যাতে ভালমতো দিল্লিতে সরকার গড়া যায়৷ ফলে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রের তাবড় তাবড় মন্ত্রীরা, যোগী আদিত্যনাথ সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা সামিল হয়েছিল ৷ শরিক দলের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশকুমারকেও প্রচারে নামিয়েছে৷

কংগ্রেস ও বিজেপি উভয়েই ৬৬ জন করে প্রার্থী দিয়েছে। মঙ্গলবার ১১ ফেব্রুয়ারি ফল বের হবে। দিল্লির ৭০ আসনের ভোটের জন্য উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা সীমান্তের একাধিক বুথ সহ স্পর্শকাতর এলাকায় রয়েছে বাড়তি নজরদারি। ভোট হবে মোট ১৩ হাজার ৭৫০টি বুথে৷ ভোটে লড়ছেন ৬৭২ জন প্রার্থী এবং ভোটার হল ১ কোটি ৪৭ লক্ষ ৮৬ হাজার ৩৮২ জন ৷ সংক্রিয় থাকছে প্রায় ৪০ হাজার পুলিস, ১৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ১৯ হাজার হোমগার্ড।