প্রতীকী ছবি

চণ্ডীগড়: লুধিয়ানা পুলিশের কাছে বিস্ফোরক চিঠি নাবালিকার৷ ১৭ বছরের এক নাবালিকার বয়ান পড়ে হতবাক পুলিশ৷ ওই চিঠির প্রেক্ষিতেই অভিযুক্ত মাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৬৬এ, ৩৭৩ ও ৩৭২ ধারা অনুযায়ী শাস্তি হবে তার৷

চণ্ডীগড়ের এই ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷ এলাকার ১৭ বছর বয়েসী এক নাবালিকা পুলিশ কমিশনারকে সম্প্রতি এক চিঠি লেখে৷ যে চিঠিতে বলা হয় তার মা তাকে জোর করে দেহব্যবসা করতে বাধ্য করেছে৷ আশা রানি নামে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ জলন্ধরের বাসিন্দা ওই মহিলার স্বামী রাম লুবাইয়াকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷

ওই মহিলা তার স্বামীর সঙ্গে মিলে নারী পাচার চক্রে যুক্ত ছিল বলেও জানতে পেরেছে পুলিশ৷ নাবালিকা পুলিশকে জানিয়েছে, শুধু দেহব্যবসাতে নামানোই নয়, তার মা তাকে একাধিক পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনেও বাধ্য করে খুব ছোট বয়সেই৷

আরও পড়ুন : ফের বিতর্কে রেল, যাত্রীর পাতে পোকা ভর্তি অমলেট

ওই মহিলা গরিব পরিবারে ছোট ছোট মেয়েদের বিভিন্ন জায়গা থেকে কিনে আনত বা চুরি করে আনত৷ তারপর তাদের দিয়ে দেহব্যবসা চালাত বলে জানতে পেরেছে পুলিশ৷ এমনকী তার নিজের মেয়েকেও এই পেশায় নামিয়ে দেয় সে৷ এমনকী নাবালিকার বাবাও তার মেয়ের সঙ্গে জোর করে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে বলে অভিযোগ করেছে ওই নাবালিকা৷

ওই নাবালিকা পুলিশকে আরও জানিয়েছে, তার মায়েরও বিবাহ বহির্ভূত একাধিক সম্পর্ক ছিল৷ সেই সব পুরুষরাও ওই নাবালিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে ছিল৷ আর এই গোটা কর্মকাণ্ডের পিছনে ছিল তার মা স্বয়ং৷

পুলিশ কমিশনারকে লেখা চিঠিতে ওই নাবালিকা আবেদন জানায় একটা সুস্থ জীবনের৷ দেহব্যবসায় নামতে না চাওয়ায় তাকে একাধিকবার বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলেও নাবালিক জানায়৷ সে বেশ কয়েকবার পালিয়েও এসেছিল, তবে লাভ হয়নি৷ মায়ের পুরুষ সঙ্গীরা তাকে খুঁজে ধরে এনেছিল বলে নাবালিকা চিঠিতে জানিয়েছে৷
ইতিমধ্যেই ওই চিঠির প্রেক্ষিতে টিব্বা পুলিশ স্টেশনে একটি অভিযোগ দায়ের হয়৷ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷ নারী পাচার চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত, তাদের খোঁজ শুরু হয়েছে৷