তিরুবনন্তপুরম: ‘বিরিয়ানি’ নামটা শুনলেও চোখের সামনে ভেসে ওঠে লোভনীয় এক খাদ্যবস্তুর ছবি। অনেকের আবার নাম শুনলেই একটু চেখে দেখার স্বাদও জাগে মনের ভিতর। আর রসনার তৃপ্তি ঘটাতে সুস্বাদু এই খাবারটি খেতে কখনও আমরা ছুটে যাই রেস্তরাঁয়,আবার কখনও বা নিজেদের বাড়ির হেঁশেলেই বানিয়ে ফেলি ভোজনরসিক মানুষদের এই প্রিয় খাবারটি।

এতক্ষন পড়ে আপনার মনে হতেই পারে এ আবার নতুন কী? সত্যিই নতুন নয়। আর এই বিরিয়ানি নিয়ে নতুন যে ব্যাপারটি বলব তা শুনলে আপনার চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। তাহলে আসুন দেখা যাক বিষয়টি কী?

তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের রয়েছে একটি বিখ্যাত শিব মন্দির। যেখানে প্রসাদ হিসেবে ভক্তদের দেওয়া হয় চিকেন বিরিয়ানি এবং মটন বিরিয়ানি! কী চোখ কপালে উঠল? কপালে ওঠারই জোগাড় বটে। এত কিছুর পরেও জিভের কোল বেয়ে জল ঝরবেনা এমন আবার হয় নাকি? অবশ্য এমনটাই হওয়ার কথা বইকি।

আর আপনি যদি এটি নিজে চাক্ষুষ করতে চান তাহলে আপনাকে যেতেই হবে তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের এই মন্দিরে ৷ তবেই মিলবে বাবার মহাপ্রসাদ হিসেবে লোভনীয় বিরিয়ানি। জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ে ভদাক্কমপত্তিতে মুনিয়ান্ডি স্বামীর মন্দির রয়েছে৷

এই মন্দিরে পূজিত হন মুনিয়ান্ডি, যাঁর অপর নাম হল মুনীশ্বর যা শিবের অপর একটি রূপেই এই মন্দিরে পূজিত হয়। আর সেই মন্দিরেই নাকি প্রত্যেক বছরএকটি উৎসবের আয়োজন করা হয় যেখানে মন্দিরে আগত দর্শনার্থীদের প্রসাদ হিসেবে দেওয়া হয় চিকেন ও মটন বিরিয়ানি৷

শুনে অবাক লাগলেও এমনটাই বিগত ১৯৭৩ সাল থেকে হয়ে আসছে তামিলনাড়ুর এই মন্দিরে। প্রতি বছর জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহের শুক্রবার ও শনিবার মুনিয়ান্ডি স্বামী মন্দিরে একটি বিরাট উৎসব পালন করা হয়৷

সেই উৎসবে আগত ভক্তদের দান করা প্রচুর পরিমাণে অর্থ প্রসাদ তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়৷ প্রায় ১০০০ কিলোগ্রাম চাল, ২৫০টি খাসি এবং ৩০০টি মুরগি ব্যবহার করা হয়েছিল এ বছর প্রসাদের জন্য৷ আর এই দিয়োই তৈরি হয়েছিল এই বছরের মহাপ্রসাদ৷ তাহলে ভাবছেন কী? একটিবার যাবেন নাকি তামিলনাড়ু!

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ