কলকাতা: গরমে প্রাণ যায় যায় অবস্থা আমাদের। যারা এই সময়ে কাজে বেরোচ্ছেন তাদের অনেকেরই অভ্যেস আছে সকালে ও কাজ থেকে এসে আরেকবার স্নান করার। সারাদিনের দৌড়ঝাঁপের পর শান্তির ঘুম এনে দেয় এই স্নান। অনেকে দিনে ৩-৪ বার স্নানও করছে। কিন্তু এই স্নানের রয়েছে কিছু নিয়ম। সেগুলি না মানলেই হবে শরীর অসুস্থ। আবার এই নিয়মগুলিতেই আপনি পাবেন শান্তির স্নানের সুফল।

১. গরমে ক্লান্তি দূর করতে অনেকেই অনেকক্ষণ ধরে স্নান করেন। এই বিশেষ অভ্যাসটি শরীরের জন্যে খারাপ বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। বেশি সময় ধরে স্নান করলে একজিমার মতো চর্মরোগের শিকার হতে পারেন আপনি। গরম কাল হোক বা শীতকাল, স্নান কখনই ১০ মিনিটের বেশি করা উচিত নয় কারুরই।

২. গরমে বাড়ির বা অফিসের কাজের ক্লান্তি কাটাতে অনেকেই স্টিম বাথ নিয়ে থাকেন। বেশি গরম জল ত্বক থেকে ন্যাচরাল অয়েল শুষে নিতে পারে। এর ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা গরম জলে বা ঠান্ডা জলে স্নান করলেই ভালো ফল পাবেন।

আরো পোস্ট- “বৈষ্ণ দেবী যাত্রা ২০২১” গাইডলাইন, যেতে চাইলে জেনে নিন

৩. বেশি ঘাম হয় বলে বা গায়ে খুব দুর্গন্ধ হয়ে বলে তা দূর করতে অনেকেই বেশি সাবান মাখেন স্নানের সময়ে। বিশেষজ্ঞরা সব সময়ই অতিরিক্ত সাবান মাখতে বারণ করেন কারণ অতিরিক্ত সাবান ত্বক থেকে ন্যাচারাল অয়েল শুষে নিতে পারে। এর ফলে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে যে কোনো সময়েই।

৪. অনেকক্ষণ ধরে যেমন স্নান করা যেমন ক্ষতিকারক শরীরের জন্যে তেমন বার বার স্নান করাও ঠিক নয় এই সময়ে। ঠান্ডা লেগে যেতে পারে অসময়ে স্নান করলে। দিনে ১-২ বারের বেশি স্নান করবেন না এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

৫. প্রতিদিন দিনের বেলা স্নান করার বদলে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে একবার স্নান করুন। এতে .ক্লান্তি দূর হবে, শরীরের আর্দ্রতা যেমন বজায় থাকবে, তেমনই ঘুমের জন্যে খুব ভাল ফল দিতে পারে। ফলে শরীর থাকবে একেবারে ফিট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.