লখনউ: দীর্ঘ কয়েক দশক পর অযোধ্যা বিতর্কের ইতি হয়েছে। আদালতের রায়ে বিতর্কিত জমি দেওয়া হয়েছে রাম মন্দিরকে। আর আলাদা পাঁচ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে। সেখানে মসজিদ বানাও যাবে। সোমবার সেই পাঁচ একর জমি গ্রহণ করল সুন্নি বোর্ড।

সুন্নি বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে সেই পাঁচ একর জমিতে শুধু মসজিদ নয়, তৈরি করা হবে একটি ইন্দো-ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, একটি হাসপাতাল ও একটি লাইব্রেরি। বোর্ড মিটিং-এ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বোর্ড চেয়ারম্যান জুফার ফারুকি জানিয়েছেন, স্থানীয়দের চাহিদার কথা মাথায় রেখে মসজিদের আয়তন ঠিক করা হবে আর হাসপাতালটি হবে দাতব্য।

গত বছরের ৯ নভেম্বর আদালতে পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ রায় দিয়েছিল অযোধ্যার বিতর্কিত জমি যাবে হিন্দু পক্ষের হাতে এএছাড়াও অতিরিক্ত ৫ একর জমি পাবে মুসলিম পক্ষ বা সুন্নি ওয়াকাফ বোর্ড।

এর আগে এই মামলা নিয়ে বহু জল গড়িয়েছিল। বিগত কয়েকদশক ধরে চলা মামলা অবশেষে পরিসমাপ্তি পেয়েছিল বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের রায়ে। এর যার ফলে পরোক্ষভাবে হলেও জয় পেয়েছিল হিন্দু পরিষদ।

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১০ এলাহাবাদ হাইকোর্টের তিন বিচারপতির স্পেশাল বেঞ্চ অযোধ্যর বিতর্কিত জমিকে তিন ভাগে ভাগ করে দেওয়ার রায় দিয়েছিলl কিন্তু উক্ত রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তিন পক্ষই৷ টানা ৪০ দিন শুনানির পর প্রধান বিচারপতির পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ অবশেষে অযোধ্যা মামলায় রায় ঘোষণা করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।