গুরুগ্রাম: প্রকাশ্যে নমাজের ক্ষেত্রে বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হল মুসলিমরা। যার কারণে বন্ধ হয়ে গেল শুক্রবারের নমাজ।

ঘটনাটি ঘটেছে গুরুগ্রামের ফেজ-৩ এলাকায়। গত শুক্রবার ফাঁকা জায়গায় নমাজ পড়তে গলে স্থানীয়দের বাধার সম্মুখীন হতে হয়। যার কারণে ওই এলাকায় আর নমাজ পাঠ হয়নি।

আরও পড়ুন- প্রকাশ্যে নমাজের দাবিতে গুরুগ্রামে ডাকা হল ‘মহা পঞ্চায়েত’

এই খবর প্রকাশ করেছে সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। সেই প্রতিবেদন অনুসারে, এই প্রতিকূলতা থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে নমাজে বাধাপ্রাপ্ত মুসলিমরা। উল্লিখিত জায়গা নমাজের জন্য ভাড়া নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা।

আরও পড়ুন- প্রকাশ্যে নমাজ বন্ধের দাবিতে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

এই বিষয়টি জানার পরেও স্থানীয় অমুসলিমরা জুম্মাবারের নমাজে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। নেহরু যুব সংগঠন ওয়েলফেয়ার সোসাইটি-র প্রধান ওয়াজিদ খান বলেছেন, “মৌলসরি মেট্রো স্টেশনের কাছে আমরা জুম্মাবারে নমাজের জন্য জায়গা চেয়েছিলাম। কিন্তু স্থানীয়দের বাধায় তা সম্ভব হয়নি। এরপরে আমরা অন্য জায়গা চিহ্নিত করি সেই জায়গাটা হরিয়ানা রাজ্য সরকারের অধীনে ছিল। সেখানেও স্থানীয়রা নমাজে বাধা দিয়েছে।” নমাজ পাঠ নিয়ে শুক্রবার দুই পক্ষের হাতাহাতিও হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ওয়াজিদ খান।

আরও পড়ুন- মন্দিরের ২ কিলোমিটারের নমাজ না পড়ার দাবি হিন্দুত্ববাদীদের

এরপরে নাথপুর গ্রামে নমাজের জন্য জমি চিহ্নিত করা হলে সেখানেও বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে নেহরু যুব সংগঠন ওয়েলফেয়ার সোসাইটি। এই বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এএসআই নরেশ কুমার বলেছেন, “আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগপত্রে যে জমির উল্লেখ করা হয়েছে সেটি অন্য নমাজের জন্য বরাদ্দ নয়।” সমগ্র বিষ্যটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন- শিব-কৃষ্ণের পুজোর সঙ্গে ৩৩ বছর ধরে নমাজও পড়েন তপনবাবু

এই একই ধরনের ঘটনা গুরুগ্রামে নতুন নয়। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে গুরুগ্রামের ওয়াজিরাবাদ এলাকার একটি মাঠে নামাজ পড়ছিলেন স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা। সেই সময় ঘটনাস্থলে গিয়ে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। সেই সকল লোকেরা ‘জয় শ্রী রাম’ এবং ‘রাধে রাধে’ স্লোগান দেয়। ওই ঘটনা নিয়ে প্রশাসনিক তৎপরতায় দেখা গিয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.