নয়াদিল্লি : ধীরে ধীরে অনুদান যোগাড় হচ্ছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের জন্য। সেই অনুদানে বিশেষ ভূমিকা নিলেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা। সম্প্রীতির নজির গড়ে রাম মন্দিরের অনুদান যোগাড়ে অংশ নিলেন তাঁরা। উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদের মুসলিমরা রাম মন্দিরের জন্য অনুদান দিলেন। এমনকী রাম মন্দির তৈরির ক্যাম্পেনেও অংশ নিলেন সক্রিয়ভাবে।

মুসলিম সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ৫১০০ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। সংবাদসংস্থা এএনআইকে রাম ভবনের প্রেসিডেন্ট শক্তি সিং জানান মন্দিরের নিধি সমর্পণ অভিযান প্রকল্পে মুসলিম ভাইয়েরা এই অনুদান দিয়েছেন। অযোধ্যার মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের হাজি সইদ আহমেদ এএনআইকে জানিয়েছেন ভগবান রাম সকলের। সেখানে কোনও ধর্মের ভেদাভেদ নেই। রাম মন্দিরও তাই সবার। হিন্দুরা মুসলিমদের ভাইয়ের মত। ভারত এখনও ইরাক, ইরান বা তুরস্ক হয়ে যায়নি, হবেও না।

সইদ হাফিজ বলেন মুসলিমরা অনুদান করতে পেরে খুশি। আরও মুসলিম ভাইয়েরা অংশ নিতে চাইছেন। তাঁরা সবাই এগিয়ে আসবেন রাম মন্দির গঠনে অংশ নিতে। এদিকে, আগামী সাড়ে তিন বছরের মধ্যে রাম মন্দির তৈরির কাজ শেষ হয় যাবে বলে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ। কোটি-কোটি টাকা খরচে তৈরি হচ্ছে এই মন্দির। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ স্বামী গোবিন্দ দেব গিরিজি মহারাজ জানিয়েছেন, রাম মন্দির তৈরি করতে ১১০০ কোটি টাকার কম খরচ হবে না।

অযোধ্যায় বহু প্রতীক্ষীত রাম মন্দির তৈরির দেখভাল করছে রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। আকাশ-ছোঁয়া এই মন্দিরে জড়িয়ে রয়েছে আবেগ। দ্রুত মন্দির তৈরির কাজ শেষ করতে তৎপরতা নেওয়া হচ্ছে। তবে জানা গিয়েছে, এখন যে গতিতে কাজ চলছে তাতে মন্দিরটি পুরোপুরি তৈরি হতে এখনও সাড়ে তিন বছরের কাছাকাছি সময় লাগবে। রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৪ লক্ষ গ্রামে ঘুরে-ঘুরে অনুদান সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়াও সাধারণ মানুষ মন্দিরর তৈরির জন্য নিজেরা এসেও অনুদান দিতে পারবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.