বেঙ্গালুরু: একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে মঙ্গলবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বেঙ্গালুরুর ডিজে হাল্লি এলাকা। পুলিশের গুলিতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। রাতেই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। কিন্তু একদিকে যখন উত্তেজনার পারদ চড়ছে, তার মধ্যেও তৈরি হল সম্প্রীতির নজির।

মন্দিরের গায়ে যেন হাত না লাগে, তাই হিউম্যান চেন তৈরি করে মন্দির ঘিরে দাঁড়িয়ে রইলেন এলাকার মুসলিম যুবকেরা। বুধবার সংবাদসংস্থা একটি ভিডিও পোস্ট করে। সেখানেই দেখা যাচ্ছে ওই চিত্র। মন্দিরের চারপাশ ঘিরে দাঁড়িয়ে রয়েছে একদল যুবক। মন্দিরকে আক্রমণ থেকে বাঁচাতেই তাঁরা পরস্পরের হাত ধরে চেন তৈরি করেন বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে ‘ইন্ডিয়া টুডে’-তে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, একাধিক গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় মঙ্গলবার রাতে। পুলিশ কমিশনার কমল পন্ত ট্যুইট করে জানিয়েছেন, যে ব্যক্তি ফেসবুক পোস্ট করেছিলেন, তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া সহ একাধিক অভিযোগে ১১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

‘ব্যাঙ্গালোর মিরর’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বিতর্কিত ফেসবুক পোস্টের অভিযোগ ওঠে, কংগ্রেস বিধায়ক আর অখণ্ড শ্রীনিবাস মূর্তির এক আত্মীয়ের বিরুদ্ধে। এরপরেই বিক্ষোভকারীরা তাঁর বাড়ি ঘিরে ধরে। এমনকি পুলিশের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

পরিস্থিতি বুঝে রাতেই ওই এলাকায় জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। জানা গিয়েছে, স্থানীয়র থানায় গিয়ে ওই বিধায়কের আত্মীয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে চেয়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা। কিন্তু অভিযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশ গুরুত্ব দেয়নি বলে দাবি, তখন বিক্ষোভ শুরু হয়। ডিসিপি-র উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ।

অন্যদিকে বিধায়কের ওই আত্মীয় জানিয়েছেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল। ওই পোস্টের বিষয়ে কিছু জানেন না তিনি। কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা