স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া : নাবালিকা ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় উত্তপ্ত বাঁকুড়ার ইন্দাস৷ অভিযোগ এক প্রাথমিক শিক্ষক প্রায়ই ওই ছাত্রীর গোপন অঙ্গ স্পর্শ করতেন৷ বিষয়টি প্রধান শিক্ষিকা কাজল সাহাকে মৌখিকভাবে জানালেও কোন কাজ হয়নি বলে অভিযোগ।

ফিরোজ খান নামে ঐ শিক্ষক বুধবার স্কুলে এলে এলাকার অভিভাবকরা তাকে ব্যাপক মারধোর করে৷ অভিভাবকদের অভিযোগ, ইন্দাস প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফিরোজ খান দীর্ঘদিন ধরেই স্কুলের ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করছিলেন। ওই একই ঘটনা চলতে থাকায় ক্ষোভ জমছিল অভিভাবকদের মনে৷ বুধবার ওই শিক্ষক স্কুলে এলে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে অভিভাবকরা ব্যাপক মারধোর করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

নিগৃহিতা ছাত্রীর বাবা বলেন, আমার মেয়ে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে। গত তিন মাস ধরে মেয়েকে শিক্ষক ফিরোজ খান শারিরীকভাবে নিগ্রহ করছে। শুধু তার মেয়ে নয়, চতুর্থ শ্রেণীর অন্যান্য ছাত্রীরাও একইভাবে অত্যাচারের শিকার অভিযোগ করে তিনি বলেন, মেয়ে স্কুলে গিয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলেও ঐ শিক্ষক সাথে দেখতে যান বলে অভিযোগ।

নিগৃহীতা ছাত্রীর মা বলেন, নানান অছিলায় ওই শিক্ষক মেয়ের শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত পর্যন্ত দেন। এলাকার সমস্ত অভিভাবকরা অভিযুক্ত শিক্ষক ফিরোজ খানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।

প্রধান শিক্ষিকা কাজল সাহা অভিভাবকদের মৌখিক অভিযোগের প্রসঙ্গ স্বীকার করে বলেন, ওনারা তখন বিষয়টি কাউকে না জানাতে বলায় আমি কাউকেই জানাইনি। এখন এবিষয়ে কিছু ‘উল্টোপালটা’ বললে তার করার কিছু নেই বলেই তিনি দাবী করেন।