ইন্দোর: চড়া রোদে স্কুলের ছাদা বসে পরীক্ষা দিতে হল ৪০ ছাত্রীকে। ইন্দোরের নভলেখা এলাকার বেঙ্গলি হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে উচ্চমাধ্যমিকের সিট পড়েছিল ইসলামিয়া করিমিয়া গার্লস হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের পড়ুয়াদের। সেই স্কুলে পরীক্ষা দিতে যান ইসলামিয়া করিমিয়ার ৪০ জন ছাত্রী। তাঁদের ৩৯ জন ছাত্রীই মুসলিম সম্প্রদায়ের।

পড়ুয়া ও তাঁদের অভিভাবকদের অভিযোগ, মুসলিম হোয়াতেই তাঁদের বাকি পড়ুয়াদের সঙ্গে বসে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি। চড়া রোদে স্কুলের ছাদে পরীক্ষা দিতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এব্যাপারে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে ইসলামিয়া করিমিয়া স্কুল কর্তৃপক্ষ।

করোনা আবহেও আবারও মধ্যপ্রদেশে মাথাচাড়া দিল সাম্প্রদায়িক বিভাজনের অভিযোগ। এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেই সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট স্কুল। পড়ুয়াদের নিয়ে সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদের অভিযোগ উড়িয়ে ইন্দোরের বেঙ্গলি হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের দাবি, ইসলামিয়া স্কুলের পড়ুয়ারা সকলেই কন্টেনমেন্ট জোনের বাসিন্দা।

স্কুলের বাকি পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা ভেবেই তাঁদের একসঙ্গে বসানো হয়নি। তাই তাঁদের আলাদা করে বসানো হয়েছিল।

সাম্প্রদায়িক বিভাজনের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে ইন্দোরের নভলেখা এলাকার ওই স্কুল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের দাবি, খোলা ছাদে নয়, মাথার উপর ছাউনির ব্যবস্থা করেই ওই পড়ুয়াদের স্কুলের ছাদে পরীক্ষা দিতে বসানো হয়েছিল।

স্কুলের এই দাবি যথাযথ বলেই মনে করেন জেলার শিক্ষা অধিকর্তা। তিনি জানান, কন্টেনমেন্ট জোনের পড়ুয়াদের আলাদা করে বসাতে শিক্ষা দফতর থেকেই স্কুলগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এই ব্যবস্থার মধ্যে সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদের মতো কোনও বিষয় নেই বলেই দাবি শিক্ষা অধিকর্তার।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ