লখনউ: ২৮ বছর পর বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায় ঘোষণা৷ আজ বুধবার উত্তরপ্রদেশের লখনউ এর বিশেষ সিবিআই আদালতে রায় ঘোষণা করলেন বিচারক সুরেন্দ্রকুমার৷ আদালতে বিচারপতি বলেন, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা পরিকল্পিত ছিল না। এই মামলায় তাই প্রত্যেকেই বেকসুর খালাস৷

এদিনের বাবরি মসজিদ মামলার রায় এ বেকসুর খালাস পেলেন লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলীমনোহর জোশী, কল্যান সিং,উমা ভারতী-সহ ৩২ জন৷ ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনায় অভিযুক্ত ছিল মোট ৩৯ জন৷ তাদের মধ্যে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ তবে এদিন আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলী মনোহর যোশী ও উমা ভারতী৷ ভিডিও লিংকের মাধ্যমে তাঁরা যোগ দেন৷

জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্ত হওয়ার দরুণ আসতে পারেননি উমা ভারতী ও কল্যান সিং। করোনা থেকে সদ্য সেরে ওঠার জন্য আসেননি নৃত্য গোপাল দাসও৷ বাকি ২৬ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন৷ অভিযোগ ছিল ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর শতাব্দী প্রাচীন বাবরি মসজিদ ধ্বংস করতে প্ররোচনা দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা আডবানি, যোশী, উমা ভারতী-সহ অন্যরা।

১ সেপ্টেম্বর বাবরি-ধ্বংস মামলার শুনানি শেষ হয় সিবিআই বিশেষ আদালতে। বাবরি মামলায় ৩৫১ জনকে সাক্ষী হিসেবে তুলে ধরে সিবিআই। মসজিদ ধ্বংসে প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত ৪৮ জনের মধ্যে ১৬ জনের ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে। সেই কারণেই বুধবার মামলার রায়দানে ৩২ জনকে আদালতে সশরীরে হাজির থাকতে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক।

অভিযোগ, করসেবকদের নানাভাবে উসকানি দিয়ে ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর শতাব্দীপ্রাচীন বাবরি মসজিদ ধ্বংস করতে প্ররোচনা দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা আদবানী, যোশি, উমা ভারতী-সহ অন্যরা।

মূলত তাঁদের প্ররোচনাতেই সেদিন মসজিদে তাণ্ডব চালায় করসেবকরা, এমনই অভিযোগ ওঠে। যদিও পরবর্তী সময়ে একাধিকবার বাবরি মসজিদ ধ্বংসে তাঁদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলী মনোহর যোশীরা।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।