লখনউ: ফের জয় শ্রী রাম বিতর্ক বাড়ল উত্তরপ্রদেশে। ১৫ বছরের এক সংখ্যালঘু কিশোরকে আগুন লাগিয়ে খুনের চেষ্টার আভিযোগ উঠেছে। জানা গিয়েছে, ওই কিশোরকে ‘জয় শ্রী রাম’ বলতে বাধ্য করা হয়েছিল।

উত্তরপ্রদেশের চান্দাউলি জেলার ঘটনা। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় ওই কিশোরকে কাশীর কবির চৌরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার দেহের ৬০ শতাংশ অংশ পুড়ে গিয়েছে। ওই কিশোর জানিয়েছে, তাকে ‘জয় শ্রী রাম’ বলার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। সে রাজি না হওয়ায় তাকে প্রথমে মারধর করা হয়, পরে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। একদল ছেলে এই কাজ করেছে বলে সে জানিয়েছে।
যদিও পুলিশ সেকথা বলছে না।

চান্দাউলি পুলিশ জানিয়েছে, ওই কিশোর নাকি নিজেই গায়ে আগুন দিয়েছে, কেউ আগুন লাগায়নি। পুলিশ সুপার সন্তোষ কুমার সিংয়ের দাবি, অগ্নিদগ্ধ ওই কিশোরের বয়ান মিথ্যা।

পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন, ৪৫ শতংশ অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় তাকে হাসাতালে আনা হয়। সে এক একজনকে এক এক রকম বয়ান দিচ্ছে। এই কিশোর সন্দেহজনক এবং একে কিছু শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ওই পুলিশ অফিসার। পুলিশ সিসটিভি ফুটে খতিয়ে দেখছে, তাতে ওই কিশোরের বয়ান অনুযায়ী কোনও ঘটনা দেখা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

পুলিশের দাবি, ওই কিশোর দু’রকমের বয়ান দিয়েছে। প্রথমে সে বলেছিল মহারাজপুর গ্রামে গিয়েছিল। সেখানে চারজন ব্যক্তি তাকে একটি মাঠে নিয়ে গিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।

এসপি জানিয়েছেন, আক্রান্তকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে গিয়ে সে অন্য বয়ান দেয়। সে জানায় যে একদল ছেলে তাকে কিডন্যাপ করে বাইকে করে হাতিজা গ্রামে নিয়ে যায়। আদতে হাতিজা ও মহারাজপুর দুটি গ্রাম দু’প্রান্তে অবস্থিত।