এই মুহূর্তে সময় কারো জন্য থমকে নেই। প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের কাছে মূল্যবান হয়ে উঠছে।

কারণ সেটি চলে গেলে আমরা আর তো ফিরে পাবো না। তাই সেই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিতে প্রতিটি শিশুই এখন যন্ত্রের মতো ছুটে চলেছে।

আসলে শিক্ষা কি তারা পাচ্ছে? এই প্রশ্ন করার বা ভাবার মত সময় অভিভাবকদের কাছে নেই।

তাই এগিয়ে যাবার প্রতিযোগিতায় প্রতিটা অভিভাবকই চায় তার সন্তানই জয়ী হোক। কিন্তু এই যান্ত্রিক জীবন একেবারেই একটা শিশুকে শিক্ষিত তার অন্তরের সত্ত্বাকে বিকশিত করতে পারে না।

আরো পোস্ট- হার্ট অ্যাটাকে মারা যাচ্ছেন করোনাক্রান্তরা! জানুন লক্ষণ ও চিকিৎসা

আজকাল কম্পিউটারের কাজের মাধ্যমে মানুষ অনেক বেশি অলস হয়ে পড়ছে এবং বুদ্ধি প্রয়োগ হচ্ছে না। আজকাল শিশুদেরকে উচ্চশিক্ষিত করতে ছোট থেকেই কোডিং শেখানোর নানা স্কুলে ভর্তি করে দেওয়া হচ্ছে।

অবশ্যই আজকালকার যুগে কম্পিউটার যেখানে মূল প্রাধান্য পায় সেখানে কোডিং শেখা ভালো তবে এই প্রথাগত শিক্ষার ফলে আদতে শিশুদের কোন লাভ হয় না।

অনেকেই মনে করেন যে কোডিং হয়তো গণিতের উপর নির্ভর করে প্রাপ্ত শিক্ষা তাই ছোট থেকেই এটা শিখলে শিশুদের মস্তিষ্ক খুলে যাবে। কিন্তু নতুন একটি গবেষণা বলছে মূলত গণিত নির্ভর হলেও এর মাধ্যমে শিশুরা শুধু কোডিং শিখতে পারে তবে গণিত বিদ্যায় পারদর্শী হতে পারে না।

তাই ছোট থেকেই যদি তাদেরকে বুদ্ধিদীপ্ত করে তুলতে হয় তাহলে সঙ্গীত শিক্ষার কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করে দেওয়া উচিত। পরীক্ষাটি যারা করে সেখানে যারা সঙ্গীত শিখেছেন এবং যারা শেখেনি এমন দুই দলে ভাগ করে শিশুদের মস্তিষ্ক স্ক্যান করে দেখা হয়।

এরপর তারা দেখতে পান যে যারা ছোট থেকেই সঙ্গীত শিক্ষা নিয়েছে তাদের মস্তিষ্ক অনেক বেশি বিকশিত। মস্তিষ্কে যে অংশটি শব্দ শুনে সাড়া দেয় সে অংশগুলি যথেষ্ট সজাগ ও সজীব রয়েছে।

সঙ্গীত হলো একাগ্রতা ও সাধনার ফল। তাই এর ফলে শিশুর মধ্যে একাগ্রতা এবং ধৈর্য আসে।

এছাড়াও তাদের মধ্যে সংবেদনশীলতা তৈরি হয়। এরপর বড় হয়ে যাওয়ার পর সঙ্গীত ছেড়ে দিলেও তাদের মস্তিষ্ক একই রকমভাবে সক্রিয় থেকে কাজ করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.