প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে চলতে থাকা করোনা ভাইরাসের ঝক্কি সামলে ওঠা যায়নি এখনো। দীর্ঘ দিন ধরেই বাড়িতে বসে ওয়ার্ক ফ্রম হোম। কেমন যেনো পাগল পাগল অবস্থা। এই অবস্থায় একটু ঘুরতে গেলে মন্দ হয় না। ঘুরতে যেতে কে না ভালোবাসে। আর যদি পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়ার ব্যাপার হয় তবে তো আর কোনো কথাই নেই। আমরা যারা কলকাতায় থাকি, পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা মনে পড়লে প্রথমেই মাথায় আসে দার্জিলিংয়ের কথা। কিন্তু দার্জিলিং তো বেশ কয়েকবার ঘুরে দেখা হয়ে গেছে, তার মধ্যে দার্জিলিংয়ে ভীড় ও বড্ড বেশি। কিন্তু কোথায় যাওয়া যায় ? যখন এরম এক পরিস্থিতির মধ্যে কেউ রয়েছেন, তখন তার জন্য দারুন এক ঠিকানা ডুয়ার্সের মূর্তি। মূর্তি হিমালয়ের নিকটে অবস্থিত এক ছোট্ট শহর। একটি পাহাড়ি নদীকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে এই শহর। এই নদীর নাম মূর্তি। নেওরা ভ্যালি ন্যাশনাল পার্ক থেকে চাপ্রামারি ও গরুমারা হয়ে বয়ে চলেছে এই নদী। দুপাশের সৌন্দর্য্য অপরূপ।

কোথায় থাকবেন: এখানে বেশ কিছু রিসর্ট আছে থাকার জন্য। সেখানে থাকতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রিসর্টটিও থাকার জন্য বেশ ভালো। সব কটি রিসোর্টে খাওয়া দাওয়ার ব্যাবস্থা আছে। এছাড়াও আপনি চাইলেই সেখানে বনফায়ার করতে পারেন। বুকিং অবশ্যই আগে থেকে করে যাবেন। অক্টোবর থেকে মার্চ মাস মূর্তি ভ্রমণের সব থেকে ভালো সময়।

কি ভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে এনজেপি গামী যেকোনো ট্রেনে এনজেপি স্টেশনে নামতে হবে। সেখান থেকে শেয়ার গাড়ি বা গাড়ি ভাড়া করে চলে যান মূর্তি । দূরত্ব মাত্র ৮০ কিমি।

কি ভাবে সময় কাটাবেন:  মূর্তি নদী এখানকার প্রধান আকর্ষণ। বয়ে চলা জলরাশি ও নদীর পাশের অপার্থিব সৌন্দর্য্য বেশ লাগবে। অনেক সময় নদীর জল খেতে আসে হাতির পাল। ভাগ্য ভালো থাকলে সেই বিরল দৃশ্যের সাক্ষী থাকতে পারেন আপনি  ঝালং, ভুটান সীমান্ত বিন্দু, সমসিং এখানের নিকটবর্তী ভ্রমণের জায়গা। সময় থাকলে ঘুরে আসতে পারেন সেখানেও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.