ফাইল ছবি

বহরমপুর:  দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি। আলিপুর হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, ঘন্টায় ৮০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গিয়েছে শহর-শহরতলির উপর দিয়ে। যদিও এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। তবে শুধু কলকাতায় নয়, ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলাতেও।

জানা যাচ্ছে, মুর্শিদাবাদে ব্যাপক ঝড় বৃষ্টি হয়েছে। জানা যাচ্ছে, সেখানে বাজ পড়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। জানা যাচ্ছে, সাগরদিঘিতে ব্যাপক বজ্রপাত হয়।

সেখানে এক মহিলা সহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। জানা যাচ্ছে, আহত হয়েছেন আরও দুজন। অন্যদিকে ভরতপুরেও ব্যাপক বজ্রপাত সহ ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। জানা যাচ্ছে, সেখানেও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বজ্রপাতেই ঘটেছে এই মর্মান্তিক ঘটনা।

জানা যাচ্ছে, মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘিতে মাঠে কাজ করার সময় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। জানা যাচ্ছে, ক্ষেতে কাজ করছিলেন মৃত ওই মহিলাসহ আরও ৫ জন শ্রমিক। হঠাত করে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এরপর ব্যাপক বাজ পড়তে থাকে।

পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে পড়ে যে ক্ষেতের ভিতর পাম্পঘরে আশ্রয় নিয়েছিলেন তাঁরা। তখন সেই পাম্পঘরের ওপর বাজ পড়ে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় মানুষজন। বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয় সমর মণ্ডল (৩০), ভারতী মণ্ডল (৪০), শিবরাম মাহাতো (৪৫)। আহত হয়েছেন তেতরি মাহাতো ও রাজবুলা মণ্ডল সহ আরও ২ জন। অন্যদিকে, ভরতপুরে মাঠ থেকে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজনের ওপর বাজ পড়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁদের।

ঘটনায় বিহারে বজ্রপাতের ঘটনায় বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানাচ্ছে, বিহারে বজ্রপাতের জেরে মৃত্যু হয়েছে মোট ৯২ জনের। আহত হয়েছেন অনেকে এবং মানুষের সাধারণ সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

সরকারি একটি বিবৃতি জানাচ্ছে, রাজ্যের ২৪ টি জেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় গোপালগঞ্জে সর্বাধিক মৃত্যু হয়েছে। সেখানে মৃতের সংখ্যা ১৩ জন।

মধুবনী ও নাওয়াদায় ৯ জন করে মারা গিয়েছে। ভাগলপুরে ৬ জন ও সিওয়ানে ৬ জন, দ্বারভাঙা, বাংকা, ইস্ট চম্পারণে পাঁচজন করে ও খাগাড়িয়া এবং ঔরঙ্গাবাদে তিন জনের করে মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া ওয়েস্ট চম্পারণ, কৃষ্ণগঞ্জ, জামুই, জাহানবাদ, পূর্ণিয়া, সুপুল, বক্সার, কাইমুর প্রতিটি জেলায় ২ জনের করে মৃত্যু হয়েছে। সমস্তিপুর, শিবহার, সরন, সীতামারী ও মাধেপুরে এক জনের করে মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।