মুর্শিদাবাদ: আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে ফের মুর্শিদাবাদ থেকে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ মুর্শিদাবাদ পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ৷ সম্প্রতি মুর্শিদাবাদ থেকে আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে ৬ জন ও কেরালা থেকে ৩ জনকে গ্রেফতার করে এনআইএ৷

শুক্রবার ভোররাতে মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থানার নওদাপাড়া গ্রাম থেকে আরও একজনকে গ্রেফতার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)৷ শামিম আনসারি নামে ধৃত জঙ্গি মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা৷ এই নিয়ে মোট ১০ জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করল এনআইএ৷

জানা গিয়েছে, ধৃত শামিম আনসারিকে শুক্রবার মুর্শিদাবাদের সিজেএম আদালতে তোলা হয়৷ আদালতের অনুমতিতে শামিমকে ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ ফের সেখানে এনআইএ-র আদালতে তাকে পেশ করা হবে৷

সূত্রের খবর, ধৃত জঙ্গিদের জিঞ্জাসাবাদ করে এনআইএ এর তদন্তকারী গোয়েন্দারা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন,বেশ কিছু মাদ্রাসার আড়ালে চলে জেহাদি কর্মকাণ্ড।

বিশেষ করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মাদ্রাসাগুলি৷ ধৃত শামিম আনসারিকে জেরা করে এনআইএ গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, মুর্শিদাবাদের ডোমকল থেকে ধৃত আল মামুনের মাদ্রাসাতেই চলত সবরকম জেহাদি কর্মকাণ্ড৷ আর সেই আল মামুনের ঘনিষ্ঠ ছিল এই আনসারি৷

এর আগে আল-কায়েদা সন্দেহে ধৃত জঙ্গিদের দিল্লির একটি আদালতে তোলা হয়৷ সেখান থেকে ৬ জন জঙ্গিকে ফের হেফাজতে নেয় এনআইএ৷ মুর্শিদাবাদ থেকে ধৃত ৬ জঙ্গিকে কলকাতা থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয় বিশেষ বিমানে৷ কড়া নিরাপত্তায় তিনটি বিমানে ৬ জনকে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লিতে৷

তার আগে দফায় দফায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) এর গোয়ান্দাদের জিঞ্জাসাবাদ করেন ধৃত জঙ্গিদের ৷ তাতে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরেছেন গোয়ান্দারা৷

এনআইএ সূত্রে খবর, ধৃত আল মামুন কামান কেরল থেকে টাকা এনে একাধিক মাদ্রাসা খোলার পরিকল্পনা করেছিল৷ এর মাধ্যমে একাধিক সদস্য সংগ্রহ করাই ছিল তার আসল উদ্দেশ্য৷

এক সপ্তাহ আগে অর্থাৎ গত শনিবার ভোররাতে মুর্শিদাবাদ থেকে ধৃত জঙ্গি আবু সুফিয়ানের ফোন ঘেঁটে এনআইএ তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পেরেছে, এদের ২২ সদস্যের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছিল। যে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের পুরো কথোপকথনই ছিল ডিলিটেড ফর্ম্যাটে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।