স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মুর্শিদাবাদের অশান্ত পরিস্থিতির জন্য রাজ্যের শাসক দলকেই দায়ী করলেন বহরমপুরের পাঁচবারের সাংসদ অধীর চৌধুরী। তাঁর জেলার এই পরিস্থিতিতে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে শুক্রবার থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দফায় দফায় বিক্ষোভ, রেল-সড়ক অবরোধ চলছে৷ অশান্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের একাধিক জেলা। সবচেয়ে বেশি অশান্তির ঘটনা দেখা গিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলাতে।

অধীরের কথায়, “যেখানে যারা এই লুঠতরাজ-অশান্তি করছে, তারা সবাই শাসকদলের লোক। এলাকার লোক কিছু জানে না আর বাইরে থেকে এসে সব করে দিয়ে চলে যাচ্ছে এই তত্ত্ব আমি মানি না।”

তিনি আরও বলেন, “এই বিল পাশের সময় তৃণমূলের আটজন সাংসদ কেন অনুপস্থিত থাকল, সেটা কি কেউ বোঝেনি? সেকারণেই তিনি এখানে ক্ষোভে প্রলেপ দিচ্ছেন। এখানে যা ঘটেছে তার তদন্ত হওয়া উচিত বলে আমার মনে হয়।”

শুক্রবার থেকেই অশান্ত মুর্শিদাবাদ। প্রথমদিন বেলডাঙা ও সাগরদীঘিতে আন্দোলন হওয়ার পর শনিবার তা ছড়িয়ে পড়ে জেলার একাধিক জায়গায়। সুতি, সামশেরগঞ্জ-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির খবর আসতে থাকে। কৃষ্ণপুর স্টেশনে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় পাঁচটি ট্রেনে। প্রশাসনকে কার্যত খুঁজেই পাওয়া যায়নি বলে মত স্থানীয়দের। রেজিনগরেও রেল স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে হামলা ও আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে।

এদিন সবকটি জায়গায় যান অধীর চৌধুরী। কাশিমবাজার, বেলডাঙা, রেজিনগর সহ একাধিক উত্তপ্ত এলাকা ঘুরে দেখেন । মানুষের কাছে আবেদন করেন, “শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন করুন। কিন্তু হিংসার আশ্রয় নেবেন না। তাতে বিজেপিরই সুবিধে হবে।”

এদিন পুলিশি নিস্ক্রিয়তার জন্যও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন অধীর। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী তো কড়া বার্তা দিয়েছেন, কিন্তু সেটা কি মুর্শিদাবাদের জন্য নয়? নাকি এখানকার প্রশাসন মুখ্যমন্ত্রীর কথা শুনছে না? মুখ্যমন্ত্রীকে বলছি আপনি এই প্রশাসনকে সরিয়ে আমাদের দায়িত্ব দিন, দেখুন মুর্শিদাবাদের সমস্যা মিটে যাবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।