নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: এক মধ্যবয়স্ক মহিলার রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটি থানার অন্তর্গত ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের গিরিশ ঘোষাল রোডে। মৃত ওই মহিলার নাম জানা গিয়েছে ইন্দ্রানী মিত্র (৪৭)। অবিবাহিত ওই মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হয় তার নিজের ঘর থেকেই। মধ্যবয়স্ক ওই মহিলা একাই থাকতেন নৈহাটির গিরিশ ঘোষাল রোডের রাস্তার পাশের বাড়িতে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ওই মহিলাকে রাস্তার পাশে তার ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন এলাকার বাসিন্দারা। তারাই ফোন করে নৈহাটি থানার পুলিশকে বিষয়টি জানায়।

যে ঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়, ওই ঘরের দরজার ফাঁকা দিয়ে তার মৃতদেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন এলাকার বাসিন্দারা। গভীর রাতে নৈহাটি থানার পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মৃত মহিলা পেশায় গৃহ শিক্ষিকা ছিলেন। তার বাবা মায়ের মৃত্যুর পর থেকে তিনি একাই থাকতেন। মৃতের আত্মীয় অমিত মিত্র বলেন, “দিদি এই রাস্তার পাশের ঘরে একাই থাকতেন। টিউশনি করে ওর একার চলে যেত। তবে কিভাবে এই ঘটনা ঘটে গেল জানি না। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। কিছুই বুঝতে পারছি না ।”

স্থানীয় বাসিন্দা চন্ডী মজুমদার বলেন, “ওর মুখ রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল। কেউ মুখে আঘাত করে থাকতে পারে। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত করবে। তারপর বোঝা যাবে ঠিক কিভাবে ওর মৃত্যু হয়েছে ।” তবে ইন্দ্রানী দেবীর তেমন কোন শত্রু ছিল না বলেই প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন। এই ঘটনায় তার ঘরের পাশের দোকানের মালিক জয়দেব মণ্ডলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে নৈহাটি থানার পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, তাকে ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়েছে । গোটা ঘটনা তদন্ত করছে নৈহাটি থানার পুলিশ ।