স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : বুধবার সকালে নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটল হাওড়ায়। একাধিক কোপে আলাদা ধর থেকে আলাদা হল ছাত্রীর মাথা। এমনই নির্মম ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গ্রামীণ হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর থানার গড়ভবানীপুর এলাকায়।

সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরেই ১৭ বছরের ছাত্রী তৃষা বাগকে উত্যক্ত করত বছর ছত্রিশের এক যুবক। বাধ্য হয়ে পরিবারের লোকজনকে জানায় ওই ছাত্রী। জানা গিয়েছে ঘটনায় অভিযুক্ত অজিত বাগ তারই প্রতিবেশী। স্থানীয় গড়ভবানীপুর আর.পি ইন্সটিটিউশনের ছাত্রী তৃষা বাগ বিষয়টি সম্পর্কে পরিবারের লোকজনকে জানালে কয়েকদিন আগেই সালিশি সভা ডাকা হয়। সেখানে অজিত তৃষাকে আর কোনও বিরক্ত না করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

তারপরই এদিন সকালে তৃষা টিউশনে যাওয়ার পথে গড়ভবানীপুরের কাছে বাইকে করে এসে অজিত দা দিয়ে তৃষার গলায় কোপ মারে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই ছাত্রীর। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উদয়নারায়ণপুর থানার পুলিশকে খবর দেন স্থানীয় বিধায়ক সমীর পাঁজা। পুলিশ দেহটিকে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত অজিত বাগ। অভিযুক্তকে খোঁজার কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।