কলকাতা: বৌদিকে কুপিয়ে খুন করে থানায় আত্মসমর্পণ করল দেওর৷ ঘটনাটি ঘটেছে শহর কলকাতার একবালপুরে৷ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়৷ খবর পেয়ে পুলিশের পাশাপাশি ঘটনাস্থলে আসেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম৷

স্থানীয় সূত্রের খবর,অভিযুক্ত দেওর ঘরে ঢুকে প্রথমে বৌদিকে এলোপাথাড়ি কোপ মারে৷ তার মাথা ফেটে রক্ত বেরোতে শুরু করে৷ এরপর ভাইঝদের উপরেও সে এলোপাথাড়ি কোপ মারে৷ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে গৃহবধুকে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসকরা৷ কিন্তু তার দুই মেয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।

বৌদিকে খুন করার পর একবালপুর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে দেওর৷ আত্মসমর্পণের পর পুলিশকে জানিয়েছেন,বৌদি ও তাঁর দুই মেয়ের উপর প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে সে।

কেন ওই ব্যক্তি হামলা করলেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাস্থলে আসেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, সম্ভবত পারিবারিক বিবাদ বা সম্পত্তি সংক্রান্ত বিদ্বেষের জেরেই এই হিংসার ঘটনা ঘটেছে৷ এদিকে খুনের কারণ অনুসন্ধান করতে পুলিশ অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

কয়েক মাস আগে একই ঘটনা ঘটেছে মালদহের হবিবপুর ব্লকের শক্তিগড় এলাকায়৷ বৌদিকে কুপিয়ে খুন করে থানায় আত্মসমর্পণ করে দেওর৷পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সন্ধ্যা সরকার (৩৩)। সেদিন সকালে অভিযুক্ত দেওরের ঘর থেকেই বৌদির ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। দিনে দুপুরেই নিশংস খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে এলাকায়৷ প্রাথমিক অনুমান, খুনের পিছনে পারিবারিক বিবাদ বা অবৈধ সম্পর্ক ছিল৷

যদিও এনিয়ে এখনো খোলাশা হয়নি। খুনের কারণ অনুসন্ধান করতে পুলিশ অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। অভিযুক্ত যুবক ঈশ্বর সরকার কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৌদিকে খুন করে স্থানীয় ভিলেজ পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে দেওর ঈশ্বর সরকার৷ পরে থানার পুলিশ এসে অভিযুক্ত দেওরকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।