স্টাফ রিপোর্টার, আসানসোল: যে যেমন ভাবে পারে ভোট নেওয়ার চেষ্টা করছেন। যার হাতে কিছু বলার মতো নেই, তিনি দলের কীর্তি প্রচার করছেন। যারা সুযোগ পেয়েও কাজ করেননি বলে অভিযোগ তারা আবার অন্য কোনও পন্থা নিচ্ছেন। যেমন মুনমুন সেন। মা সুচিত্রা সেন অর্থাৎ আপামর বাঙালির মহানায়িকার আত্মার শান্তি কামনায় ভোট চাইলেন তিনি।

আরও পড়ুন- আমি যদি মনে করি তৃণমূলকে একটাও দেওয়াল লিখতে দেব না: অর্জুন

দোরগোড়ায় এসে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচন। প্রচারে ব্যস্ত সকলে। রাজ্য জুড়ে জোরকদমে চলছে নির্বাচনী প্রচার। প্রচারের অভিনব কায়দায় খবরের শিরনামে উঠে এসেছে বহু নাম। বাঁকুড়ার বিদায়ী সাংসদের কখনও শাড়ির আঁচল খুলেছে, তো কখনও রাইমা রিয়াকেও রাজনীতিতে নামাবেন বলে ভোট প্রচার করছেন।

আরও পড়ুন- লোকসভার লড়াইকে ভারত-পাক যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা তমলুকের বিজেপি প্রার্থীর

হাতের শেষ যেন তাস ছিল মা সুচিত্রা সেন। তার হয়তো ধারনা, আর কিছু না হোক সুচিত্রা ইমোশন বাঙালির রন্ধ্রে রন্ধ্রে রয়েছে। তাই হয়তো তিনি জামুরিয়ার কর্মীসভাতে ভাষণ দেওয়ার সময় বললেন, ” নিজের করা বক্তব্য নিয়ে এখন ট্রোলের মুখে সুচিত্রা সেনের কন্যা তথা অভিনেত্রী মুনমুন সেন। কর্মিসভায় মুনমুন বললেন, মায়ের জন্মদিনে বাড়ি না গিয়ে তিনি আসানসোল শিল্পাঞ্চলের ভোটরদের মাঝে এসেছেন।

আজ শুক্রবার সুচিত্রা সেনের জন্মদিন। সেই নিয়ে মহানায়িকার কন্যা মুনমুন বললেন, “আজকে আমার মায়ের জন্মদিন। ঘরে না গিয়ে তোমাদের কাছে এসেছি। তোমরা বলো, তৃণমূলকে একটা ভোট দেবে। আমার মায়ের আত্মার শান্তির জন্য জোড়া ফুলকে ভোট দাও।তাঁর মেয়ে এসেছে তোমাদের কাছে। তাঁর নাম রাখতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রাখতে।”

আরও পড়ুন- সরকারি চিকিৎসক প্রার্থীকে ভোটে অংশগ্রহণ করার অনুমতি হাইকোর্টের

এছাড়াও মুনমুন বললেন, “আমার টাকা পয়সার দরকার নেই। যা টাকা পাব, সব দিয়ে দেব তোমাদের কাজের জন্য”। মুনমুনের এই কথা শুনে বিজেপি-র এক শীর্ষ নেতার বক্তব্য , সুচিত্রা সেনকে রাজনৈতিক ময়দানে ব্যবহার করে মুনমুন আসলে নিজের মাকেই অপমান করেছেন।

প্রসঙ্গত সুচিত্রার সেনের জন্মদিন ৬ এপ্রিল। সেটা পাঁচ এপ্রিল করে মায়ের জন্মদিন একটু এগিয়ে নিয়ে এসে ভোট প্রচারে কাজে লাগানোর চেষ্টা করলেন মুনমুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি যথারীতি ট্রোল হতে শুরু করেছেন।

আরও পড়ুন- মৌসমকে টেক্কা দিতে গোরুর গাড়ি ছেড়ে মাঠে নামলেন ঈশা খান