গান্ধীনগর: সোমনাথ মহাদেব মন্দিরের ৩ কিলোমিটারের ধারেকাছে এবার আমিষ খাবারের ওপর কোপ৷ হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে এই এলাকাকে ‘pure vegetarian zone’ করার দাবি উঠেছে বলে সূত্রের খবর৷ যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন জেলাধিকারিক৷

তবে বিষয়টি কার্যকরী হলে প্রায় ১০০-এর(প্রত্যক্ষভাবে) ওপর, এবং ৪০০(পরোক্ষভাবে) মানুষের রুজি-রোজগারে টান পড়বে, যার মধ্যে আবার বেশিরভাগই মুসলিম৷

আমিষে নিষেধাজ্ঞার এই ক্যাম্পেনে প্রতিবাদে এগিয়ে অন্যতম হিন্দু সংগঠন সোমনাথ সেবা সঙ্ঘ৷ হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি, দেশ-বিদেশ থেকে এই মন্দিরে পূণ্যার্থীরা আসেন৷ কিন্তু রাস্তার দুধারে থাকা আমিষ খাবারে তাঁদের ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে৷ তাই এই ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন৷

পড়ুন: হিন্দু দেব-দেবীর ছবি দেওয়া বিয়ের কার্ড ছাপালেন মুসলিম দম্পতি

হিন্দু সংগঠনের নেতা রবি গুপ্তার প্রশ্ন, গুজরাতে ডাকোর, চোটিলা, পালিতানা এবং দ্বারকা সহ বেশ কিছু ধর্মীয়স্থানে যদি আমিষের ওপর নিষেধাজ্ঞা সম্ভবপর হয় তাহলে সোমনাথ মন্দিরের চারপাশে তা সম্ভবপর নয় কেন?

প্রসঙ্গত, সোমনাথ মন্দিরের চারপাশে তিন কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বেশ কিছু অভিজাত হোটেলও রয়েছে, যেখানে বহিরাগত, পর্যটকরা আসেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।