মুম্বইঃ এরাজ্য সহ গোটা দেশের সরকারি কাজকর্মে গাফিলতি থেকে দুর্নীতির অভিযোগ অহরহ। সেখানে কোনও সরকারি আধিকারিকের সততা ও কাজের প্রতি নিষ্ঠতা দেখতে মিললে সবারই ভালো লাগে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বিদ্যুৎ বেগে ভাইরাল (Viral) হচ্ছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি মহিলা শাড়ি পরে ম্যানহোলের মধ্যে প্রবেশ করছেন। জানা যাচ্ছে, ভিডিওটিতে যে মহিলাকে দেখা যাচ্ছে, তিনি মহারাষ্ট্রের (Maharastra) থানে (Thane) জেলার একজন পৌর আধিকারিক। জেলার ড্রেন পরিষ্কারের কাজটি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে তিনি নিজেই নেমে পড়েন ড্রেনের মধ্যে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও ভাইরাল (Viral Video) হতেই প্রশংসার বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

বিশদে খোঁজ খবর নিয়ে জানা গিয়েছে, থানে জেলার চাওয়ানকে এলাকায় প্রাক-বর্ষার কাজ পরীক্ষা করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ওই মহিলা আধিকারিককে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নালা আটকা পড়ে এবং অতিরিক্ত বর্ষায় সেখানে জল নিকাশি ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ভিওয়ান্দি-নিজামপুর পৌর কর্পোরেশন (BNMC) এর স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সুভিধা চন্দনকে কাঠের সিঁড়ি ব্যবহার করে ম্যানহোল নামছেন। তিনি ভিতরে গিয়ে চলমান কাজের কয়েকটি ছবি ক্লিক করেছেন এবং কিছু কর্মীদের সাথে কথাও বলেছেন। এভাবে বেশ কিছুক্ষণ ভিতরে থাকার পরে তিনি বাইরে এসেছিলেন। তাঁর এই কর্তব্য নিবেদনের প্রশংসা করা হচ্ছে সর্বত্র।

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, “আমাকে কর্পোরেশন কর্তৃক পরিদর্শন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ঠিকাদাররা তাদের কাজটি সঠিকভাবে করছেন কিনা এবং নিকাশি লাইন পরিষ্কার করা কতটা কঠিন তাও আমি নিশ্চিত করতে চেয়েছিলাম। কাজটি পরীক্ষা করা আমার দায়িত্ব যে, লোকেরা যাতে কোনও সমস্যার মুখোমুখি না হয়।’

তারপর তিনি এও জানান, “আমি ভয় পাইনি এবং আমার অফিস এবং পরিবারও আমার কাজের প্রশংসা করেছে।’ পাশাপাশি তিনি এও জানান যে, “এই প্রথম তিনি কোনও ম্যানহোলে প্রবেশ করলেন।” সামাজিক মাধ্যমে এই ভিডিও (Municipal officer enters manhole Video) শেয়ার হতে, নেটিজেনরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দিতে থাকে। অনেকে এমনটা মন্তব্য থাকে, ‘ওনার  কাছ থেকে কাজের প্রতি দায়িত্বশীলতা শেখা উচিত’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.