আগরতলা: পুর নির্বাচনেও বামেদের দাপট অব্যাহত ত্রিপুরায়। রাজধানী আগরতলা পুরসভা ও রাজ্যের ১৩টি পুরসভায় জয় পেল লাল শিবির। একইসঙ্গে রাজ্যের ৬ টি নগর পঞ্চায়েতও নিজেদের দখলে রাখতে সক্ষম হয়েছে বামেরা।

রাজধানী আগরতলা পুর নিগমের চারটি আসন ছাড়া গোটা রাজ্যে আর কোথাও সেভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি ত্রিপুরার প্রধান বিরোধী কংগ্রেস। নির্বাচনের আগে প্রচারের ক্ষেত্রে চমক থাকলেও নির্বাচনের ফলাফলে কোনও চমক ছিল না ভারতীয় জনতা পার্টির। ভোটের একদিন আগে ৭ ডিসেম্বর ত্রিপুরায় প্রচারে গিয়েছিলেন বিজেপি তারকা নেত্রী রুপা গঙ্গোপাধ্যায়। এবারের নির্বাচনে বিজেপির তেমন কোনও উন্নতি চোখে পড়েনি। মোদী ছেড়ে মানিকেই আস্থা রেখেছেন ত্রিপুরাবাসী।

গত ৯ ডিসেম্বর ত্রিপুরা রাজ্যের ১৪টি পুরসভা এবং ৬ টি নগর পঞ্চায়েতে ভোট হয়েছিল। ৮৬৬ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণের দায়িত্বে ছিল রাজ্যের ৫ লক্ষ ৪৪ হাজার ৬৪৯ ভোটার। শনিবার সকাল ৮ টায় শুরু হয় ভোট গণনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।