পাটনা: জঙ্গল খাঁড়ির মধ্যে টানা বারো ঘণ্টার বেশি মাওবাদী ঘেরাটোপে থেকেও অভূতপূর্ব অপারেশন সফল করলেন মুঙ্গেরের ডিআইজি মনু মহারাজ। তিনি অক্ষত অবস্থায় ফিরতেই মুঙ্গেরবাসী আপাত স্বস্তিতে। আশঙ্কা এবার আরও বড় হামলা চালাবে মাওবাদীরা।

রবিবার দুপুরের পর থেকে মুঙ্গের ও জামুই জেলার আন্তঃসীমান্তের জঙ্গলে বিহার পুলিশ ও কোবরা ফোর্সের যৌথ অভিযানে দীর্ঘসময় বিচ্ছিন্ন ছিলেন ডিআইজি মনু মহারাজ। তাঁর খবর না মেলায় রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ মহলে বাড়ছিল উদ্বেগ। অন্যদিকে দুই জেলার দুর্গম বনাঞ্চলে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে বাহিনি নিয়ে লড়াই চালাচ্ছিলেন ‘সিংহম’ পুলিশ কর্তা বলে পরিচিত মনু মহারাজ।

রবিবার দুপুর থেকেই গুলির শব্দ শোনা গিয়েছে মুঙ্গের ও জামুইয়ের মতো মাওবাদী উপদ্রুত জেলার সীমানায়। এর জেরে মুঙ্গেরবাসী ছিলেন ত্রস্ত। সোমবার বিহার পুলিশ ও মুঙ্গের জেলা প্রশাসন জানায় মাওবাদীরা পিছু হটেছে। অভিযান সমাপ্ত। উদ্ধার করা হয়েছে বেশকিছু আগ্মেয়াস্ত্র।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ২৮ অক্টোবর। এদিন মুঙ্গের, গয়া, জামুই, ভোজপুর, বেগুসরাইয়, লক্ষ্মীসরাইয়ের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় ভোট হবে। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে দফায় দফায় মাওবাদী বিরোধী অভিযান চলছে।

এই অভিযানের অন্যতম কমান্ডিং অফিসার ডিআইজি মনু মহারাজ। প্রবল সাহস ও সততার কারণে তিনি সুপরিচিত। তাঁর জীবনের ঘটনা নিয়েই গঙ্গাজল, সিংহম ছবি তৈরি হয়। তিনিই ‘আসলি সিংহম’ বলে পরিচিত।

অন্যদিকে নির্বাচন বানচাল করতে হামলা চালাতে শুরু করেছে মাওবাদীরা। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ওয়ান্টেড মাওবাদীকে গ্রেফতার করেছেন মনু মহারাজ। এরপর শুরু হয়েছে অভিযান। অত্যন্ত স্পর্শকাতর এলাকা বলে পরিচিত এই তিন জেলার বিধানসভাগুলিতে রয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা। গত নির্বাচনে এখানে মাওবাদী হামলা হয়। দুই জওয়ানের মৃত্যু হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।