মুঙ্গের: লো আ গেয়া সিংহম। অব সব ঠিক হোগা। ততক্ষণে রাস্তায় দৌড়তে শুরু করেছেন ডিআইজি মনু মহারাজ। তাঁর সঙ্গে দৌড়চ্ছে পুলিশ বাহিনি। ঘণ্টা খানেক আগেও হামলাকারীরা দাপাচ্ছিল। তারা উধাও। শান্ত হচ্ছে এই শহর।

দুর্গা বিসর্জন ঘিরে সংঘর্ষের সূত্রপাত দশমীর রাতে। গুলিতে একজনের মৃত্যু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। দেশজোড়া আলোচনার কেন্দ্রে আসে মুঙ্গেরের অবস্থা। তবে নির্বাচন হয় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে। ভোট মিটতেই বৃহস্পতিবার নতুন করে সংঘর্ষের জেরে প্রবল উত্তপ্ত ছিল মুঙ্গের।

দিনভর বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, একাধিক দোকান, গাড়ি ও সরকারি ভবনে হামলা হয়েছে। বিকেলের পর থেকে শহরের সব রাস্তায় শুরু হয়েছে টহল। নেতৃত্বে মুঙ্গেরের ডিআইজি মনু মহারাজ। তিনি নামতেই হামলাকারীরা হাওয়া।

তবে হামলা রুখতে না পারায় ইতিমধ্যে সাসপেন্ড করা হয়েছে জেল শাসক রাজেশ মিনা ও এসপি লিপি সিং কে। অভিযোগ কর্তব্যে চরম গাফিলতি। তবে মুঙ্গেরের ডিআইজি মনু মহারাজ জানান, যারা হামলা চালিয়েছে কাউকেই ছাড়া হবে না।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিংহম অফিসার নিজে রাস্তায় দৌড়ে শুরু করেন। এর পরে বিভিন্ন মহল্লা থেকে সরে পড়ে হামলাকারীরা। এদিকে নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে উদ্বিগ্ন। মুঙ্গের সংলগ্ন সবকটি জেলায় জারি হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। বিশেষ করে বেগুসরাই। এছাড়াও মুঙ্গের লাগোয়া বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

দশমীর রাতে স্থানীয় দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার সেই বিতর্ক নতুন করে চাগাড় দেয়। আচমকা সংঘর্ষ বেধে যায়। এরপরেই প্রশাসনের হাতের বাইরে চলে যায় পরিস্থিতি। হামলাকারীদের রুখতে প্রথম দিকে ব্যর্থতা দেখায় পুলিশ। পরে অবস্থা সামাল দেন ডিআইজি মনু মহারাজ।

নির্বাচনের প্রথম দফার আগেই মাওবাদী হামলা রুখতে কোবরা ফোর্সের সঙ্গে যৌথ অভিযানে দীর্ঘসময় নিখোঁজ ছিলেন তিনি। মুঙ্গের-জামুই সীমানায় গভীর জঙ্গলে সেই অভিযান শেষ করেন মনু মহারাজ। নির্বাচনে মাওবাদীরা হামলা করতে পারেনি।

এরপরেই দুর্গা বিসর্জন ঘিরে বচসার জেরে উত্তপ্ত মুঙ্গেরকে ঠাণ্ডা করতে ফের পথে সিংহম অফিসার। তাঁর কড়া ভূমিকা এমনিতেই প্রশংসিত। সিংহম, গঙ্গাজলের মতো ছবি তৈরি হয়েছে ডিআইজি মনু মহারাজের জীবন ও কর্মদক্ষতার কাহিনি নিয়ে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।