খোঁজ মিলল এলিয়েনের। তবে জ্যান্ত নয়, পাওয়া গিয়েছে কঙ্কাল। হাতে তিনটি করে আঙুল, পায়েও তিনটি আঙুল। পেরুর নাজকা নামের একটি জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ওই অদ্ভুত প্রাণীর মমি। প্রথমটায় সবাই ভেবেছিলেন, এগুলি ‘ফেক’। কিন্তু গবেষকরা খতিয়ে দেখেছেন যে এগুলি ভুয়ো নয়। এগুলির সত্যিই অস্তিত্ব ছিল।

গবেষকদের টিমে থাকা ড. এডসন ভিভানকো জানিয়েছেন, ওই দেহগুলি কোনও বহির্জগতের প্রাণীর বলে মনে করা হয়েছে। প্রথম ধাপের ডিএনএ টেস্টে দেখা গিয়েছে এরা ১০০ শতাংশ মনুষ্যপ্রজাতির। ড. ভিভানকো পেরুতে গিয়েছিলেন এটা দেখার জন্য যে এগুলি আদতে সত্যি নাকি ভুয়ো। তিনি পরীক্ষা করে দেখেছেন দেহের বেশিরভাগ অংশই সত্যিকারের।

জানা গিয়েছে দেহে রয়েছে তিনটি আঙুল। প্রত্যেক আঙুলে পাঁচটি করে দাগ। হাড়গুলিও মানুষের বলে বোঝা গিয়েছে। দেহগুলি নিয়ে আরও বেশি গবেষণা হবে। প্রমাণগুলি খুঁটিয়ে দেখছেন চিকিৎসকেরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।