মুম্বই: ৪ বছরের এক শিশুকে যৌন নির্যাতনের দায়ে গ্রেফতার করা হল এক টুরিস্ট বাসের চালককে। ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বইতে। জানা গিয়েছে ওই নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করার পরে তাকে অন্যত্র ছেড়ে দিয়ে চলে গিয়েছিল অভিযুক্ত বাস চালক। পুলিশের তরফে তল্লাশি চালিয়ে ওই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। পাশপাশি এই সম্পূর্ণ বিষয়টি নিয়ে পুলিশের তরফে শুরু করা হয়েছে তদন্ত।

মুম্বই শহরে এই ধরনের ঘটনা ঘটায় অবাক মানুষজন। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের তরফে শুরু করা হয়েছে তদন্ত। মুম্বইয়ের ভায়ান্দের এলাকাতে ঘটেছে এই ঘটনা। পুলুশের তরফে জানানো হয়েছে বাংলাদেশ পাড়া এলাকাতে খেলার সময়ে ওই শিশুটিকে অভিযুক্ত বাস চালক নিজের বাসে তুলে নেয়। তারপরে অভিযুক্ত বাস চালক ওই শিশুতিকে যৌন নির্যাতন করে।

প্রমাণ লোপাট করার জন্য অভিযুক্ত চালক অজ্ঞান অবস্থাতে ওই শিশুটিকে ভাসাই এলাকাতে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে একটি স্যাকের মধ্যে শিশুটিকে ভরে তা রেখে দেয়। স্যাক টি দেখে সন্দেহ হওয়াতে পুলিশে অভিযোগ করেন মানুষজন। আর তারপরে সামনে আসে আসল তথ্য।

পুলিশের তরফে বিষয়টি নিয়ে শুরু করা হয়েছিল তদন্ত। ওই নাবালিকার ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল গোটা শহর জুড়ে। তারপরেই ওই নাবালিকার পরিবারের তরফে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। অভিভাবকের তরফে অভিযোগ পাওয়ার পরে পুলিশের তরফে তদন্ত শুরু করা হয়েছিল। পুলিশের তরফে ওই বাস ড্রাইভারকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়া হয়। ওই নাবালিকাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বলেও জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।