মুম্বই : দেশজুড়ে কোভিড পরিস্থিতি লাগামছাড়া জায়গায় পৌঁছেছে। এর মধ্যে সবথেকে ভয়াবহ পরিস্থিতি এই মুহূর্তে মহারাষ্ট্রে। এখানকার দৈনিক করোনা সংক্রমণ সবথেকে বেশি। মায়া নগরীর বলিউড থেকে টেলি জগত অনেকটাই বিপর্যস্ত। করোনা ভাইরাস নাকি উপার্জনহীনতা কোনটাতে বেশি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে মায়া নগরী! মহারাষ্ট্রের কার্ফু জারি করার পর থেকেই দলে দলে দৈনিক দিনমজুররা ফেরত চলে আসছে নিজের বাড়িতে।

বলিউড চলচ্চিত্র সংস্থাগুলি জানিয়েছে যে, কোভিড-১৯ নিষেধাজ্ঞাগুলিতে হতাশ হয়ে পড়েছে বলে অনেক দৈনিক মজুরির শ্রমিক তাঁদের নিজের শহরে ফিরে আসতে শুরু করেছেন। অনেক দৈনিক মজুরই জানিয়েছেন, তাঁরা করোনা ভাইরাস থেকে মারা যদি নাও যান, অবশ্যই হতাশায় মারা যাবেন। জুনিয়র অভিনেতা, মেক-আপ শিল্পী, ব্যাকগ্রাউন্ড ডান্সার, লাইটম্যান এবং স্পটবয়েস – এই শিল্পী এবং প্রযুক্তিবিদদের মধ্যে অনেকেই দৈনিক মজুরি উপার্জনকারী। ক্রমাগতই সংগ্রাম এবং অনিশ্চয়তা থেকে অবিরাম তাঁরা হতাশার ভারে ডুবে যাচ্ছেন।

গত বছরেও করোনা ভাইরাস মহামারীর জন্য যে লকডাউন ঘোষণা হয়েছিল তা তাঁদের জন্য যথেষ্ট দুর্দশার কারণ হয়ে উঠেছিল। এমনকি তাঁদের বেশিরভাগ জীবিকা হারিয়ে তাঁদের নিজের জায়গায় ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছিল। তবে নতুন বছরের শুরুতে একরাশ স্বপ্ন এবং মনোবল নিয়ে তাঁরা এই মায়া নগরীতেই জীবন-জীবিকার উদ্দেশ্যে ফিরে এসেছিল। তবে ক্রমবর্ধমান কোভিড -১৯ বিগত বছরের দুঃসময়ের অতীতকে ফিরিয়ে এনেছে। অনেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবার তাদের স্থায়ীভাবে তাঁদের এখন ঘরে ফেরা উচিত।

মহারাষ্ট্রে কোভিড -১৯ -এর ঘটনা যখন বাড়তে শুরু করল, রাজ্য সরকার ই এপ্রিল প্রথমে একটি নাইট কার্ফিউ এবং একটি সাপ্তাহিক লকডাউন ঘোষণা করে। যার অধীনে এটি ফিল্ম এবং টিভি ইউনিটগুলিকে সাপ্তাহিক ছুটিতে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে। তবে তাতে যথাযথ সুরক্ষা ও বিধি সতর্কতার নিয়ম রয়েছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী তাঁদেরকে কোনো বড় নাচ এবং লড়াইয়ের দৃশ্যের শ্যুট না করার জন্য বলা হয়েছিল। আর এইটাতেই জুনিয়র টেকনিশিয়ান থেকে জুনিয়র অভিনেতা ও জুনিয়র ডান্সারদের জীবিকা নির্বাহের উপর প্রশ্ন চিহ্ন ওঠে। যাঁরা মূলত দৈনিক মজুরি উপার্জনকারী। ভয় আতঙ্ক এবং অনিশ্চয়তা নিয়ে দিন কাটছে পিছনের দৈনিক মজুরদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.