মুম্বই: আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ধেয়ে আসতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ। আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে প্রকাশ্যে মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করল মুম্বই। মুম্বই উপকূলের তীরবর্তী সমুদ্র সৈকত, পার্ক এরকম খোলা জায়গায় বেরোনোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

গুজরাত, দমন-দিউ, দাদরা নগর হাভেলি এই সমস্ত জায়গায় ঝড়ের কারণে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। আপাতত মনে করা হচ্ছে, বুধবার দুপুরের পরেই এই ঝড় আছড়ে পড়বে। ইতিমধ্যেই গোয়া, সান্তাক্রুজ ও কোলাবায় ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।

মুম্বই থেকে ১১০ কিমি দূরে আলিবাগের কাছে এই ঝড় আছড়ে পড়বে। এরফলে সমুদ্রে জলের ঢেউ এর উচ্চতাও ৬ ফুট বৃদ্ধি পাবে।

মঙ্গলবার থেকেই ঝড়ে ক্ষতির আশঙ্কায় উপকূলবর্তী এলাকা থেকে সরানো হচ্ছে মানুষজনকে। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের তরফে বলা হয়েছে, “মুম্বই শহরে বাস করা বস্তিবাসীদের, বিশেষ করে নিচু এলাকার বাসিন্দাদের অন্যত্র সরানো হয়েছে”।

সংবাদসংস্থা জানাচ্ছে, ইতিমধ্যে গুজরাত উপকূল থেকে ২০ হাজার মানুষকে সরানো হয়েছে। প্রাণহানি এড়াতে আরও মানুষজনকে সরানো হচ্ছে। তৈরি রয়েছেন কোস্ট গার্ড এবং ইন্ডিয়ান নেভি। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলকেও তৈরি রাখা হয়েছে। সাইক্লোনের তাণ্ডব কিছুটা ঠান্ডা হলেই উদ্ধার কাজ শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে ইতিমধ্যেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র, চিকিৎসাধীন বহু কোভীড রোগী। তাই সাইক্লোনের সময় অন্যান্য জায়গায় লোডশেডিং হলেও হাসপাতালগুলি যাতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন না হয় সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় নিসর্গের দিকে নজর দিয়ে মুম্বই সিটি, মুম্বই শহরতলি জেলা, থানে, পালঘর, রায়গড়, রত্নগিরি এবং সিন্ধু দুর্গে জারি করা হয়েছে সতর্কতা, তেমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব