চেন্নাই: চিপকের বাইশ গজে ফের ছড়ি ঘোরালেন বোলাররা৷ মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ১৩৭ রানে বেঁধে রাখল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷ ২০২১ আইপিএলে এখনও পর্যন্ত এটাই সর্বনিম্ন স্কোর৷ দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে দুরন্ত বোলিং করলেন লেগ-স্পিনার অমিত মিশ্র৷ ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা রান পেলেও বাকিদের ব্যর্থতায় দিল্লির বিরুদ্ধে বড় রানের টার্গেট দিতে ব্যর্থ পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা৷

আগের দু’টি ম্যাচে স্কোর বোর্ডে দেড়শো রান তুলে জিতেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷ চিপকের বাইশ গজে অল্প রানের পুঁজি নিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মুম্বইকে জিতিয়েছেন বোলারদের৷ সামনে এবার দিল্লি ক্যাপিটালস৷ যারা তাদের তিনটি ম্যাচের মধ্যে দু’টি বড় রান তাড়া করে জিতেছে দিল্লি৷ দারুণ ফর্মে রয়েছেন দিল্লির দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান ও পৃথ্বী শ৷ তবে দিল্লি তাগের প্রথম তিনটি ম্যাচ খেলেছে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে৷ সেখানের পিচের সঙ্গে চিপকের পিচের প্রার্থক্য অনেক৷ তবে ১৩৭ রান তাড়া করে ম্যাচ জেতা কঠিন হওয়ার কথা নয়, দিল্লির ব্যাটসম্যানদের৷ দারুণ ফর্মে রয়েছেন ধাওয়ান ও পৃথ্বী এবং ক্যাপ্টেন পন্ত৷

গতবারের রানার্সের বিরুদ্ধে এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷ শুরুটা ভালো হয়নি রোহিতদের৷ তৃতীয় ওভারে ডি’কক-কে ডাগ-আউটের রাস্তা দেখান মার্কাস স্টওনিস৷ ওপেনিং পার্টনারকে হারালেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ক্যাপ্টেন রোহিত৷ দ্বিতীয় উইকেটে সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে ৫৮ রান যোগ করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ক্যাপ্টেন৷ কিন্তু ভয়ংকর হয়ে ওঠা সূর্যকুমারকে ফেরান আবেশ খান৷ ১৫ বলে চারটি বাউন্ডারি-সহ ২৪ রান করেন সূর্যকুমার৷

এরপর ক্রিজে জমে যাওয়া রোহিতকে তুলে নিয়ে দিল্লিকে ম্যাচে ফেরান অমিত মিশ্র৷ ৩০ বলে ৪৪ রান করেন মুম্বই অধিনায়ক৷ একই ওভারে হার্দিক পান্ডিয়াকে (০) ডাগ-আউটে ফিরিয়ে মুম্বইকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিল্লির এই লেগ-স্পিনার৷ পরের ওভারে কাইরন পোলার্ডকে (২) ফিরিয়ে মুম্বইয়ের স্কোর ছ’ উইকেটে ৮৪ করে দেন অমিত৷ তাঁর শেষ শিকার ইশান কিষান (২৬)৷ চার ওভারে মাত্র ২৪ রান দিয়ে ৪টি উইকেট তুলে নেন অমিত৷ শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১৩৭ রান তোলে মুম্বই৷ অমিত ছাড়াও দারুণ বোলিং করেন আবেশ খান ও ললিত যাদব৷ আবেশ ২ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে দু’টি এবং ললিত ৪ ওভারে মাতার ১৭ রান দিয়ে ক্রুনাল পান্ডিয়াকে আউট করেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.