দুবাই: প্রথম দল হিসেবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স প্লে-অফ নিশ্চিত করে ফেলেছে আগেই। আরেক দল দিল্লি ক্যাপিটালস প্লে-অফের লক্ষ্যে প্রথম সারিতে থাকলেও শেষ তিন ম্যাচে হারের হ্যাটট্রিক করে প্লে-অফের অপেক্ষা দীর্ঘায়িত করে ফেলেছে। শনিবারের ম্যাচ জিতলে প্লে-অফ নিশ্চিত হয়ে যাবে তাদেরও।

এমনই প্রেক্ষাপটে দুবাইয়ে শনিবাসরীয় ডাবল হেডারের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি শীর্ষে থাকা মুম্বই ইন্ডিয়ান্স বনাম লিগ টেবিলে তিন নম্বরে থাকা দিল্লি ক্যাপিটালস। প্লে-অফ নিশ্চিত করে এখন মুম্বইয়ের লক্ষ্য অবশ্যই লিগ টেবিলে প্রথম দু’টি স্থানের মধ্যে যে কোনও একটি স্থান নিশ্চিত করা। কারণ সেক্ষেত্রে প্লে-অফে প্রথম কোয়ালিফায়ারে হারলেও আরেকটি সুযোগ থাকবে।

অন্যদিকে দিল্লির লক্ষ্য যেনতেন প্রকারে জয় দিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করা। সবমিলিয়ে দিল্লি ক্যাপিটালস বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচের গুরুত্ব অপরিসীম। আর গুরুত্বপূর্ণ সেই ম্যাচে টস জিতে দিল্লিকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানালেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক কায়রন পোলার্ড। পিচের চরিত্র সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকায় টস জিতে রান তাড়া করার সিদ্ধান্ত নিলেন পোলার্ড। আজও মুম্বই শিবিরে অনুপস্থিত রোহিত ।

গত ম্যাচের একাদশে এদিন জোড়া পরিবর্তন এনেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। প্লে-অফ নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় ইউটিলিটি অল-রাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়াকে বিশ্রাম দিয়ে পরিবর্তে জয়ন্ত যাদবকে দলে নিয়েছে মুম্বই থিঙ্কট্যাঙ্ক। পাশাপাশি ন্যাথান কুল্টার-নাইল এলেন জেমস প্যাটিনসনের জায়গায়।

অন্যদিকে দিল্লি শিবিরে তিনটি পরিবর্তন। আজিঙ্কা রাহানের পরিবর্তে দলে ফিরলেন ওপেনার পৃথ্বী শ। এছাড়া দলে এলেন হর্ষল প্যাটেল এবং লেগ-স্পিনার অল-রাউন্ডার প্রবীণ দুবে।

একনজরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স একাদশ: ইশান কিষাণ, কুইন্টন ডি’কক (উইকেটরক্ষক), সূর্যকুমার যাদব, সৌরভ তিওয়ারি, কায়রন পোলার্ড (অধিনায়ক), ক্রুনাল পান্ডিয়া, ন্যাথান কুল্টার নাইল, জয়ন্ত যাদব, রাহুল চাহার, ট্রেন্ট বোল্ট, জসপ্রীত বুমরাহ।

একনজরে দিল্লি ক্যাপিটালস একাদশ: শিখর ধাওয়ান, পৃথ্বী শ, শ্রেয়স আইয়ার (অধিনায়ক), ঋষভ পন্ত (উইকেটরক্ষক), শিমরন হেটমেয়ার, মার্কাস স্টোইনিস, হর্ষল প্যাটেল, প্রবীণ দুবে, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, কাগিসো রাবাদা, অ্যানরিচ নর্তজে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.