চেন্নাই: আইপিএলের ইতিহাসে সফলতম ক্যাপ্টেন তিনি৷ আইপিএলের ইতিহাসে সর্বাধিক পাঁচটি ট্রফি জিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে৷ কিন্তু প্রথম ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ‘মিথ’ ভাঙতে পারেননি রোহিত শর্মা৷ এবার কি সেটা সেটা ভাঙতে পারবেন রোহিত৷ শুক্রবার চিপকে শুরু হচ্ছে ২০২১ আইপিএল৷ প্রথম ম্যাচে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মুখোমুখি রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷

২০১৩ আইপিএল থেকে প্রথম ম্যাচে হারছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷ রিকি পন্টিং থেকে রোহিত৷ এই ‘মিথ’ চলেই আসছে৷ এর মধ্যে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করিয়েছেন রোহিত৷ কিন্তু প্রথম ম্যাচে হারের রেকর্ড বদলাতে পারেনি ‘হিটম্যান’৷ মরু শহরে গত আইপিএলেও এর ব্যতিক্রম হয়নি৷ টানা আটবার হার দিয়ে আইপিএল শুরু করেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷ কিন্তু এবার কি রোহিত ‘মিথ’ ভাঙতে পারবে? উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও একটা দিন৷

রোহিত হলেন আইপিএলের ইতিহাসে একমাত্র অধিনায়ক, যিনি পাঁচটি ট্রফি জিতেছেন৷ শুধু তাই নয়, এবার তাঁর সামনে ট্রফি জয়ের হ্যাটট্রিকের হাতছানি৷ ২০১৯ ও ২০২০ আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রোহিতের মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷ প্রথম ম্যাচে হারাটা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে ‘লাকি’ও৷ কারণ আট বছর আগে অর্থাৎ ২০১৩ আইপিএলে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷

২০১৩ আইপিএলে পন্টিংয়ের নেতৃত্ব অভিযান শুরু করেছিল মুম্বই৷ কিন্তু পরের দিকে পন্টিংয়ের থেকে নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছিল রোহিতের হাতে৷ সেবারও পন্টিংয়ের নেতৃত্বে প্রথম ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে ২ রানে হেরেছিল মুম্বই৷ টুর্নামেন্টের মাঝে দলের দায়িত্ব নিয়ে চ্যাম্পিয়ন করে রাতারাতি ‘হিরো’ বনে গিয়েছিলেন ‘আমচি মুম্বই’ রোহিত৷ তারপর থেকে আরও চারটি ট্রফি দিয়েছেন ‘হিটম্যান’৷

করোনা আবহে এবার কোনও দলই তাদের হোম ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে না৷ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে ২০২১ আইপিএল শুরু হচ্ছে চিপকে৷ শুক্রবার লড়াই বিরাট ভার্সেস রোহিতের৷ মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তাদের প্রথম পাঁচটি ম্যাচ খেলবে চেন্নাইয়ে৷ পরের চারটি ম্যাচ খেলবে যথাক্রমে বেঙ্গালুরু ও কলকাতায়৷ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে তিনটি এবং ইডেন গার্ডেন্সে ২টি ম্যাচ খেলবেন রোহিতরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।