মুম্বই: করোনা আবহের মধ্যেই এবার মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়ল দৈত্যাকৃতি এক মাছ। যা দেখলে চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। মঙ্গলবার রাতে আরব সাগরের কোলাবা থেকে প্রায় ৪০-৫০ কিলোমিটার দূরে মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়ে ওই বিশালাকার হাঙ্গরটি।

জানা গিয়েছে, মৎস্যজীবীদের জালে ধরা,পড়া ওই হাঙ্গরটির ওজন প্রায় ২ হাজার কেজিরও বেশী। বুধবার মাছটিকে বন্দরে নিয়ে আসা হলে এমন দৈত্যাকৃতি মাছকে একবার চোখের দেখা দেখতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় সাধারণ মানুষের মধ্যে। অতি উৎসাহী জনতার মধ্যে অনেকেই আবার মাছের সঙ্গে সেলফিও তুলতে শুরু করেন।

এদিকে এমন দানবাকৃতি মাছের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন। জানা গিয়েছে, প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন এবং ভারতের বন্যজীবন সংরক্ষণ আইন, ১৯৭২ এর বিপন্ন প্রজাতির বৈশ্বিক তালিকায় এই প্রাণীটির ছবি রয়েছে।

জানা গিয়েছে, বিশালাকার ডটেড হাঙরটি মাছ ধরার জালে জড়িয়ে পড়েতেই নিজেকে মুক্ত করার জন্য মরিয়া সংগ্রাম করেছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত তার সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। এমনটাই জানিয়েছেন ওই ট্রলারে থাকা একজন জেলে।

একদিকে অন্ধকার এবং অন্যদিকে আবহাওয়াজনিত কারণে ফিশিং ট্রলারটি মাছটিকে জালে টেনে নিয়ে বুধবার ভোরে মুম্বই এসে পৌঁছয়।

কোলাবা থানার কনস্টেবল স্বপ্নিল কুমার বলেন, “আমরা এই অঞ্চলে রুটিন টহলে দিচ্ছিলাম সেইসময় এই বিশাল মাছটি দেখতে পাই। এরপর ঘটনার খবর জানাজানি হতে প্রচুর মানুষ মাছটিকে দেখতে সেখানে ভিড় করেন।”

যদিও এতবড় মাছ এর আগে কখনও দেখা যায়নি বলেই জানিয়েছেন অধিকাংশ মৎস্যজীবীরা। ফলে এতবড় মাছ কীভাবে চলে আসল তা জানতে এবং পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।